বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাস্তা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষে চাঁদপুর সদরে একই পরিবারের ৩ জন জখম

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পিএম
রাস্তা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষে চাঁদপুর সদরে একই পরিবারের ৩ জন জখম

চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে রাস্তা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। এ ঘটনায় চাঁদাবাজি, হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। আহতদের চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, বালিয়া ইউনিয়নের গুলিশা এলাকার পাটোয়ারী বাড়ির মৃত মান্নান পাটোয়ারীর ছেলে নাসির পাটোয়ারী, তার সহোদর আজিজ পাটোয়ারী এবং তাদের খালাতো ভাই ইকরাম পাটোয়ারী। এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৩ মে) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম গুলিশা এলাকায় সরকারি খালের মাটি কেটে রাস্তার পাশে ভরাট কাজ চলছিল। এ সময় নাসির পাটোয়ারীর বাড়ির চলাচলের একটি পথ বন্ধ হয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

পরে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে একই এলাকার দ্বীন ইসলাম পাটোয়ারীর ছেলে নাইম পাটোয়ারী নাসির পাটোয়ারীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।

Model Hospital

অভিযোগে আরও বলা হয়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাসির পাটোয়ারী বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। এ সময় তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

নাসিরকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার ভাই আজিজ পাটোয়ারী ও খালাতো ভাই ইকরাম পাটোয়ারীকেও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ইকরামের কাছে থাকা গরু কেনার জন্য আনা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে হামলার পর অভিযুক্তরা বাদীপক্ষের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বাধা দিতে গেলে নাসিরের বড় ভাইকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনের মাথায় পাঁচটি এবং আরেকজনের মাথায় আটটি সেলাই দেন। এছাড়া আরও একজনের হাত ভেঙে গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকায় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।