শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

এমপির নির্দেশে বালিয়া-রামপুর খননকৃত খালে ৩ হাজার দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ পিএম
এমপির নির্দেশে বালিয়া-রামপুর খননকৃত খালে ৩ হাজার দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত
চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশে চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া-রামপুর খননকৃত খালে প্রায় ৩ হাজার দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রাড়িগো পোল এলাকায় এ মাছের পোনা অবমুক্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম নোমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে খালে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন মিয়াজী, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন কাজী, উপদেষ্টা আক্তার হোসেন গাজী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ মিন্টু, সদস্য হারুনুর রশিদ তফাদার, ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উল্ল্যাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খাল খননের মাধ্যমে জলাধারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বালিয়া-রামপুর খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।