শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনেই এক পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, অনুপস্থিত-১৭

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনেই এক পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, অনুপস্থিত-১৭

ফাইল ছবি

শাহরাস্তিতে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনেই এক ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনে ‘কুরআন মাজিদ’ (বিষয় কোড: ২০১) বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালীন এই বহিষ্কারের ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম মো. ইমাম হোসেন। সে উপজেলার রাগৈ ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার ছাত্র বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার শাহরাস্তি-০১ কেন্দ্রের ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অসদুপায় অবলম্বন করার বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়লে শাহরাস্তি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিল্লোল চাকমা ওই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার আদেশ দেন ।
​

Model Hospital

বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী মো. ইমাম হোসেনের রোল নম্বর ১৭০১৮৭ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২২১৮০৫১৭০৯ (পিতা: জলিল উদ্দিন, মাতা: মোসা: লিপি)।

পরীক্ষা চলাকালীন ওই কক্ষের হল পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন হোসেনপুর গাউসীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আব্দুস সাত্তার। ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্র সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছরের আলিম পরীক্ষায় উক্ত কেন্দ্রে মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৬৭ জন। এর মধ্যে প্রথম দিনের পরীক্ষায় ২৫০ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও ১৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। প্রথম দিনের পরীক্ষায় কেন্দ্রটিতে মোট ১ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।