বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল ৩ টি  তাজা প্রাণ, আহত ১৫

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
শাহরাস্তিতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল ৩ টি  তাজা প্রাণ, আহত ১৫
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি উপজেলার বানিয়াচোঁ এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুভর্তি ডাম্প ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল ৩ টি  তাজা প্রাণ।এ ঘটনায়  আরোও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে দুই গাড়ির চালক ও ডাম্প ট্রাকের এক হেলপার রয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে বানিয়াচোঁ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মোড়ের পাটোয়ারী বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার রাকেশের পাড় এলাকার মৃত সফিকুল ইসলামের ছেলে ডাম্প ট্রাকের মালিক ও চালক আব্দুল ওহাব (৪৫), গাইবান্ধা সদর উপজেলার মধ্যধানগড়া বল্লমজার গ্রামের রাজামিয়ার ছেলে বাসচালক কামাল হোসেন (৪২) এবং বাগেরহাট সদর উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের সালাউদ্দীন আহমেদের ছেলে ট্রাকের হেলপার শোভন (৩৫)। নিহত আব্দুল ওহাবের চাচাতো ভাই মোঃ শাহজাহান জানান, আঃ ওহাব ডাম্প ট্রাকটির মালিক ও চালক ছিলেন। তিনি আলীগঞ্জ থেকে বালু নিয়ে লালমাই যাচ্ছিলেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
গুরুতর আহতরা হলেন নীলফামারী এলাকার মৃত নোমান আলীর ছেলে মোঃ শহিদুল্লাহ (৬০), তার স্ত্রী আঞ্জুমান আক্তার (৫০) এবং রংপুরের রাধানগর এলাকার মৃত মঞ্জু মিয়ার ছেলে লিমন (২০)। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর আহতদের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ  মুশফিক বিন বাকের  উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে  রেফার করেন।
স্থানীয়রা জানান, দিনাজপুর থেকে চাঁদপুরগামী আল-আরাফাহ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী নৈশ কোচ বানিয়াচোঁ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আলীগঞ্জ থেকে লালমাইগামী বালুভর্তি ডাম্প ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাসটি ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি যানই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কের ওই অংশে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সংবাদ পেয়ে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা খাতুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং উদ্ধার কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, বানিয়াচোঁ এলাকায় বাস ও বালুবাহী ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই চালক ও একজন হেলপার রয়েছেন।
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওভারটেক করার সময় সংঘর্ষের কথা জানা গেলেও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital