বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

তিন দশক পর গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন সম্পন্ন

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৭ পিএম
তিন দশক পর গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন সম্পন্ন
ব্যাপক উৎসব-উদ্দীপনা,  গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বহুল প্রতীক্ষিত ফরিদগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলেজের অভিভাবক সদস্য, শিক্ষক প্রতিনিধি ও হিতৈষী সদস্য পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
কলেজ সূত্র জানা যায়, ১৯৯৬ সালের পর প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর পর এবারই প্রথম কলেজে এত উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে গভর্নিং বডির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ফলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থী, ভোটার, প্রশাসন থেকে শুরু করে পুরো এলাকা জুড়ে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের জোয়ার ও ক্যাম্পাসে ভোটারদের নজরকাড়া উপস্থিতি।
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা নাজমুল হোসেন আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ৩টি অভিভাবক সদস্য পদে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন মো. নেছার আহম্মেদ, হাজী মফিজুল ইসলাম চৌধুরী ও মিলন চক্রবর্তী।
অন্যদিকে শিক্ষক প্রতিনিধি পদে শাহ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী শিক্ষক প্রতিনিধি পদে তাজমিরা আক্তার এবং হিতৈষী সদস্য প্রতিনিধি পদে ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে লায়ন ফখরুল আলম ফয়সাল বিজয়ী হয়েছেন।
সকালে ভোটের পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে কলেজে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা এবং ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ব্যপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে ছিল।
ভোটগ্রহণ শেষে বিকেলে কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া সার্বিক শান্তিশৃঙ্খলা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নাজমুল হোসেন ও কলেজের অধ্যক্ষ হরিপদ দাস জানান, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও পরিবেশ চমৎকার ছিল। ভোটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন এবং এতে সবার সার্বিক সহযোগিতা ছিল প্রশংসনীয়।
এদিকে বহু বছর পর অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বিজয়ী, বিজিত প্রার্থীসহ ভোটারদের ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানিয়েছেন কলেজের সাবেক সভাপতি মাহবুব মোর্শেদ কচি এবং ডা. আবুল কালাম আজাদ। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এমন নিখুঁত নির্বাচন আয়োজন সফল হওয়ায় তাঁরা আনন্দ প্রকাশ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।