শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস নুরের যোগাদান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৮ এম
চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস নুরের যোগাদান
নাক, কান ও গলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম ফেরদৌস নুর (কাউসার) চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে যোগদান করেছেন। গত ২৫ জুলাই তিনি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এর পূর্বে তিনি চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত থাকাবস্থায় পদোন্নতি পেয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
চিকিৎসাসেবা, গবেষণা ও একাডেমিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডা. ফেরদৌস নুর ২০০৭ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১০ সালের ১ জুলাই চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
এরপর ২০১১ সালে তিনি চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। উচ্চতর পেশাগত দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে ২০১২ সালে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এফসিপিএস প্রশিক্ষণের জন্য সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে এফসিপিএস কোর্স সম্পন্ন করার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তিনি ঢাকা তেজগাঁও জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটে গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০২১ সালে তিনি পুনরায় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। ২০২২ সালে জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সর্বশেষ নাক, কান ও গলা বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর গত ২৫ জুলাই চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।
এছাড়া তিনি সরকারি টিউটির বাহিরে দীর্ঘদিন ধরে পূর্বের ন্যায় চাঁদপুর ফ্যামিলি কেয়ার প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখছেন।
ব্যক্তিজীবনে ডা. এ এইচ এম ফেরদৌস নুর চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মরহুম মো. আবুল হাশেম এবং মাতা ফেরদৌস আক্তার। তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রী ডা. ইসরাত জাহানও বর্তমানে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ডা. ফেরদৌস নুরের যোগদানে নাক, কান ও গলা বিভাগের চিকিৎসাসেবা ও একাডেমিক কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। তার নতুন কর্মস্থলে যোগদানে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও চাঁদপুরের চিকিৎসা মহল তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং সফলতা কামনা করেছেন।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।