বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় পারিবারিক বিষয়ে হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ

কচুয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
কচুয়ায় পারিবারিক বিষয়ে হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ

কচুয়ায় সামাজিক ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ।

কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আকানিয়া গ্ৰামে সামাজিক ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগে উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামের জমির উদ্দিন হাজী বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মৃত আব্দুল ছাত্তারের স্ত্রী সাজিদা খাতুন বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

থানার অভিযোগ সূত্রে বাদী সাদিজা খাতুন জানান,সামাজিক পারিবারিক বিষয় ও আমার ছেলে আমির হোসেন কর্তৃক গান বাজনা মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আমার বসত ঘরে হামলা ও ভাংচুর চালায় প্রতিবেশী মোঃ আবুল বাসার (৪০), নজরুল ইসলাম (৩৫),কালু মিয়া (৩০),আলমগীর হোসেন (২৬),মোঃ সোহাগ (৩৫) কালু মিয়াসহ সংঘবদ্ধ একটি উত্তেজিত মহল। আমার ছেলে আমির হোসেন তাদের উশৃংখল কর্মকান্ড বাধা দিতে গেলে আমাকে ও ছেলে আমির হোসেনের উপর অতর্কিত আক্রমন করে এলোপাথাড়ি কিল, ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেদনাদায়ক জখম করে। বিবাদী সোহাগ হোসেন আমার গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্নের চেইন নিয়া যায়। যাহার মূল্য অনুমান ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। আমরা ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাই। তারা আমাকে এবং আমার ছেলেকে প্রানে হত্যা করবে বলিয়া হুমকি প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে আমির হোসেন মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। আমাদের নিজস্ব জায়গায় বাগানে একটি ঘর করে সেখানে থাকে সে। বিবাদীগণ একটি প্রভাকান্ড ছড়িয়ে এলাকার লোকজনকে উত্তেজিত করে ভারসাম্যহীন ছেলেটার উপর একাধিকবার অতর্কিত হামলা ও অনেক নির্যাতন করে আসছে।

বিবাদীগনদের পক্ষ থেকে জানান, আমির হোসেন পারিবারিক কবরস্থানের পাশে একটি ঘর বানিয়ে মাদকের আড্ডা ও ভাড়া করা নারী এনে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ড করে করেন। এত এলাকার লোকজন বাধা দিতে গেলে অনেকের উপর অতর্কিত হামলা করে ও অনেকের বাড়ি ঘর ভাংচুর করে।

Model Hospital

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।