বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মায়ের কাছ থেকেই সন্তান প্রথম শিক্ষা অর্জন করে : সাংবাদিক সোহেল রুশদী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫১ পিএম
মায়ের কাছ থেকেই সন্তান প্রথম শিক্ষা অর্জন করে : সাংবাদিক সোহেল রুশদী

২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে ভর্তিযোগ্য শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি, নিয়মিত উপস্থিতি, ঝরেপড়া রোধ, ১০০% পাশ ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: দিদার হোসেন মিজির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।
প্রধান অতিথির বক্তব্য বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, মা সমাবেশে অধিকসংখ্যক মায়েদের/অভিভাবকদের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার দাদা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম এ টি আহমেদ হোসাইন রুশদী জমি দিয়ে শাহতলীতে ১৯৪৮ সালে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে চাই। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য দুই-তিন মাস পর পর পরীক্ষা নিতে হবে। দুর্বল শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে গাইড দিতে হবে, যাতে তারা ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারে। যারা ফেল করবে তাদের উপরের ক্লাসে উঠানো যাবে না। শিক্ষার আলোয় এ এলাকা আলোকিত করার জন্য নিয়মিত মডেল টেস্ট পরীক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা ভালো করুক। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করুক। আর্থিক কারনে কোন শিক্ষার্থীর যাতে ঝড়ে না পরে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের আর্থিক সমস্যা রয়েছে, আমি তাদের শিক্ষা সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করবো।
তিনি বলেন, আমরা এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে চাই। এজন্য শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের পড়াশোনার খোঁজখবর নিতে হবে।যারা নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবে এবং ভালো ফলাফল করবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। একই ভাবে যেসব বিষয়ের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করবে, সেসব বিষয়ের শিক্ষকদেরও পুরস্কৃত করা হবে। পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদেরও পুরস্কৃত করা হবে। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ করতে হবে। পড়ালেখাকে আনন্দময় করে তুলতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মায়েরাই সন্তানের জন্য শিক্ষকের ভূমিকা পারন করতে হবে। মায়ের কাছ থেকেই সন্তান প্রথম শিক্ষা অর্জন করে। মায়েরা সন্তানদের নিয়মিত খোঁজখবর নিতে হবে৷ মায়েরা বাড়িতে শিশুদের পড়ার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিবেন৷ শিক্ষা বিস্তারে মায়েদের ভূমিকা বেশি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মিড-ডে মিল চালু করেছেন। শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন। চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক শিক্ষার উন্নয়নে নজর দিয়েছেন৷ তিনি শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন।
মা সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসিন উদ্দিন, জিলানী চিশতী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো: জহিরুল ইসলাম খান মুরাদ, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল আজিজ মিজি, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা ফাহিমা জাহান, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা শামীমা সুলতানা, নাজিয়া মাহবুব, শাহিনা সুলতানা, সহকারি শিক্ষক মো: কবির হোসেন চৌধুরীসহ অভিভাবকবৃন্দগণ।
সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: দিদার হোসেন মিজি। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা শহিদুল ইসলাম।
একইদিন সকাল ১০টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুপুর ইউনিয়নের ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: তহমিনা আক্তার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী। সেখানে উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: নুরুজ্জামান, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি ও উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা মোসা: রুবিনা আক্তার, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল আজিজ মিজি, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা আয়েশা আক্তার, সহকারি শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম মিজি, সহকারি শিক্ষিকা মোহসেনা আক্তার, সহকারি শিক্ষিকা রুকাইয়া খাতুন, তানজিনা খানম, তানিয়া আক্তার, অভিভাবক সদস্য হাসান মুন্সি, এলাহী মিজি, অভিভাবক জোহরা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।