মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

খেলতে গিয়ে ফেরা হলো না সামাদের, পুকুরে ডুবে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম
খেলতে গিয়ে ফেরা হলো না সামাদের, পুকুরে ডুবে মৃত্যু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে নিজ বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলীগঞ্জ এলাকার মোল্লা বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ ওই বাড়ির মামুন মোল্লার ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। মুহূর্তের মধ্যেই আনন্দের বাড়ি পরিণত হয়েছে কান্নার বাড়িতে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির উঠানে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল সামাদ। খেলাধুলার একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন ও বাড়ির অন্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে বাড়ির পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Model Hospital

নিহতের নিকটাত্মীয় অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাইফুল মোল্লা জানান, সকালে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির উঠানে খেলছিল সামাদ। খেলাধুলার এক ফাঁকে সবার অগোচরে পুকুরে পড়ে গিয়ে সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ তানভীর হাসান শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্ষাকালে চারপাশে পানি থাকায় শিশুদের প্রতি পরিবারের সদস্যদের আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে যারা সাঁতার জানে না, তাদের যেন কোনোভাবেই পুকুর, খাল বা জলাশয়ের কাছে একা যেতে না দেওয়া হয়। সচেতনতা ও বাড়তি সতর্কতাই পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ছোট্ট সামাদের এমন করুণ মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে আলীগঞ্জ মোল্লা বাড়ির পরিবেশ। যে উঠানে কিছুক্ষণ আগেও শিশুটির হাসি-খেলাধুলায় মুখর ছিল, সেখানেই এখন নেমে এসেছে শোকের নীরবতা।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”