বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ওমানে হাজীগঞ্জের ইয়াছিনের আত্মহত্যা, বাবার দাবী পরিকল্পিতভাবে হত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০২২, ২:৫৯ পিএম
ওমানে হাজীগঞ্জের ইয়াছিনের আত্মহত্যা, বাবার দাবী পরিকল্পিতভাবে হত্যা

নিজস্ব প্রতিনিধি : ফুটফুটে দুই পুত্র সন্তানের বাবা হলেন ওমান প্রবাসী ইয়াসীন। হাসপাতালে স্ত্রী আর নবাগত সন্তানদের খবরে বেজায় খুশি । নিজের ফেসবুক আইডিতে শেষ পোস্টটি ছিল আলহামদুলিল্লাহ। বাবা হবার দুইদিন পর বুধবার সন্ধ্যায় দেশে খবর আসে প্রবাসে থাকা সেই ইয়াছিন আর বেঁচে নেই।

প্রবাসী ইয়াছিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার এনায়েতপুর নোয়াব আলী বাড়ীর মো. জহিরুল ইসলামের বড় ছেলে। ইয়াছিনের তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানও রয়েছে।

সরজমিনে ইয়াছিনের বাড়ীতে গেলে শোকাবহ পরিবারের কান্নায় প্রতিবেশিরা জড়ো হতে দেখা যায়। বাবা হাজী মো. জহিরুল ইসলাম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সেখান থেকে পাঠানো ছবিতে তার দেহে আঘাতের দাগ রয়েছে।

ইয়াছিনের মা বলেন, বুধবার দুপুরে ইয়াছিনের সাথে শেষ কথা হয়েছে।বৃহস্পতিবার ২২ কেজি মিষ্টি কিনে সবাইকে খাওয়ানোর কথা। গত সোমবার তার দুই পুত্রসন্তান হাজীগঞ্জ শাহমিরান হসপিটালে প্রসব হয় ।

Model Hospital

তিনি আরো জানান, সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে মালিকের কাছে নালিশ করেছে সহকর্মীরা এমন তথ্য গত মঙ্গলবার রাতে মুঠোফোনে তাকে জানান ইয়াছিন।

ওমানের সালালা শহরের সেলিম পুলিশ স্টেশনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছে ইয়াছিনের মৃতদেহ। ৩/৪ দিন পর তার মৃতদেহ দেশে পাঠানো হবে বলে তার বাবাকে ইয়াছিনের মালিক নিশ্চিত করেন। ইয়াছিন ওমানের স্বতাঁত এলাকায় একটি বাসায় একা থাকতো। তবে লক্ষীপুরের আরো দুই প্রবাসী তার সাথে সেই কক্ষে নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করতো।

ছুটিতে এসে গত ১ ফেব্রুয়ারী ইয়াছিন ওমানে পাড়ি দেয়। তার বাবা ওই শহরে ৩১ বছর ছিলেন। সেখানেই ছেলেকে নিয়ে গাড়ী চালানোর কাজ দেয় বাবা। ইয়াছিনের পরিবারে স্ত্রী, কন্যা ও দুই নবজাতক পুত্র সন্তান রয়েছে। এছাড়া মা-বাবা দুই বোন ও এক ছোট ভাইকে নিয়ে মোট নয়জনের সংসার। এই নয়জনের সংসারের একমাত্র প্রদীপটি নিভে গেলো কোন অদৃশ্য শত্রুর থাবায় ।

সেই তদন্ত কাজের কতটুকু অগ্রগতি হবে সেটি দেখার বিষয় পরিবারের।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।