বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে নলকূপের পাশ দিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস’ চলছে রান্নার কাজও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২, ১:৩৪ পিএম
হাইমচরে নলকূপের পাশ দিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস’ চলছে রান্নার কাজও
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে নলকূপের পাশ দিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস।  উপজেলার ২ নং আলগী উত্তর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে সুমন আখনের বাড়ির নলকূপের পশের মাটি থেকে গত ৭ দিন ধরে এ গ্যাস বের হচ্ছে।  দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিলেই আগুন জলতে থাকে নলকূপের ২পাশের ২টি স্থানে। পলিথিনে করে গ্যাস সংগ্রহ করে ঘরে নিয়ে গ্যাসের চুলায় লাইন দিয়ে রান্নাও করেন বাড়ির মালিক সুমন আখন। এ খবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হলে ঘটনাস্থলে গ্যাস বের হওয়া স্থান পরিদর্শন করেন ত্যাল, গ্যাস ও খনিজ অনুসন্ধানমূলক রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিমিটেড (বাপেক্স) উপ ব্যাবস্থাপক সালেহ আহম্মেদ, আলমগীর কবির,উপ ব্যবস্থাপক বাকরাবাদ, গ্যাস  চাঁদপুর ইন্জিনিয়ার মোঃ জাকারী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ২নং আলগী উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান পাটোয়ারী, উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাহেদ হোসেন দিপু।
বাপেক্স ব্যবস্থাপক ছালে আহমেদ বলেন, এখানে মাটি থেকে গ্যাস উঠতেছে এমন একটি এপ্লিকেশন করা হয়েছিল জেলা প্রশাসকের নিকট। আমরা গ্যাস বের হওয়ার সংবাদ পেয়ে তা দেখতে এসেছি। আমরা এসে এখন আগে যেমন ছিল তেমন বেশি গ্যাশ দেখতে পারছিনা। এখানে গ্যাসের পেশার একেবারেই কম থাকায় গ্যাস নেয়া যাচ্ছে না। স্যাম্পলের জন্য গ্যাস নিয়ে গেলে হয়তো পরিক্ষা করে দেখা যেত এটা কোন ধরনের গ্যাস। আমরা এখানে আসলাম লোকজনকে সাবদান করে তাদের করনীয় বিষয়ে অবগত করে গেলাম।
বাড়ির মালিক সুমন আখন জানান, গত ৩ মাস পূর্বে এখানে নলকূপ বসাতে গেলে গ্যাস উঠায় কলটি বসাতে পারে না। পরে অন্য আরেকটি যায়গায় কল বসাতে গেলে সেখানেও পাইপ নিছ থেকে উপরে উঠে আসে। তখন নলকূপ বসানো শ্রমীকরা অন্যত্র সরিয়ে নলকূপ বসিয়ে যায়। নলকূপ বসানোর পর থেকেই কলের চারো পাশে মাটি বিতর থেকে বুদবুদ উঠে। গত কয়েক দিন আগে বুদবুদ করা স্থানে দিয়াশলাই দিয়ে আগুন দিলে আগুন জলতে থাকে। আমি এক ফুট সাইজের পাইপ মাটিতে ডুকিয়ে পলিথিনে গ্যাস ভরে পলিথিন থেকে পাইপের মাধ্যমে গ্যাসের চুলায় লাইন দিয়ে রান্নাও করেছি। আমার ধারনা গভীরে পাইপ বসালে গ্যাসের পেশার বাড়বে এবং সেই গ্যাস কাজে আসবে। আমাকে ওনারা এসে গ্যাস ব্যবহার না করার জন্য বলে গেছে। আমাকে প্রশাসন অনুমতি দিলে এখান থেকে গ্যাস বের করে রান্নার কাজে ব্যবহার করতে পারি।
পাশ্ববর্তী লোকজন জানান, কয়েকদিন ধরেই এবাড়িতে নলকূপের পাশে কয়েকটি স্থানে আগুন দিলেই জলতে থাকে। আমরা প্রায় সময়ই দেখি এখানে অলোকিক ভাবে আগুন জলে। ভাল ভাবে পরিক্ষা নিরিক্ষা করলে এখানে বড় ধরনের গ্যাসের  সন্ধান পাওয়া যাবে বলে তারা মনে করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।