শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর কচুয়ার ব্যবসায়ীর গলাকাটা লাশ মিললো দাউদকান্দিতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২, ৩:১৮ পিএম
নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর কচুয়ার ব্যবসায়ীর গলাকাটা লাশ মিললো দাউদকান্দিতে

মোঃ রাছেল, কচুয়া : চাঁদপুরের কচুয়ায় পৌরসভাধীন কচুয়া বাজারে অবস্থিত ইকরা ভ্যারাইটিজ স্টোরের স্বত্বাধীকারী আবুল বাশার (৩৮) নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘন্টা পর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করলো পাশ্ববর্তী দাউদকান্দি থানা পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় আবুল বাশার শনিবার সকাল বেলা তাঁর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আসে। দুপুরে তার নিজ বাড়ি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান হতে ৩ কিলোমিটার দূরে কচুয়া পৌরসভাধীন কোয়া চাঁদপুর গ্রামে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য যায়। খাবার খেয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে ফিরত না আসায় দোকানের কর্মচারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে তার মোবাইলে ফোন দেয়। ফোনে তাকে না পাওয়ায় তার স্ত্রীকে জানানো হয় যে বাশারের ফোন বন্ধ ও এখন পর্যন্ত দোকানে পৌছেনি। আত্মীয় স্বজনরা তাকে চারদিকে খোঁজাখুজি শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত নিখোঁজ আবুল বাশারের সন্ধ্যান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

পুলিশ অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে চাঁরদিকে খুঁজতে থাকে। পুলিশ অনুসন্ধ্যানে জানতে পারে বিকেল বেলা কচুয়া বাইপাস সড়কে কড়ইয়া গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে মৎস্য আড়তদার মুসা (২০) নামের এক মাছের আড়ৎ ব্যবসায়ীর সাথে তাকে দেখা যায়।

কচুয়া থানা পুলিশ সেই সূত্র ধরেই শনিবার রাত ৩টায় কচুয়া বিশ্বরোডে অবস্থিত মুসার মাছের আড়তে অনুসন্ধ্যান চালিয়ে আবুল বাশারের রক্তভেজা লুঙ্গি, গামছা ও বিছানার চাদরসহ দেওয়ালের বিভিন্ন স্থানে রক্তের চিহ্ন দেখতে পায়। সেই সূত্র ধরেই মুসার মুঠোফোনে কচুয়া থানা পুলিশ একাধিকবার আবুল বাশারকে কচুয়া থানায় নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করে। রাত ১২টার পর মুসার মুঠোফোনে ফোন গেলেও সে কারো ফোনই রিসিভ করে নি। সেই সূত্র ধরেই কচুয়া থানা পুলিশ আশেপাশের সকল থানায় ব্যবসায়ীর নিখোঁজ সংবাদ ও ছবি পাঠিয়ে দেয়।

Model Hospital

কচুয়া থানা পুলিশ রবিবার বিকেল ৩টায় সংবাদ পায় দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর গ্রামে একটি বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ পাওয়া গেছে। সেই সংবাদের ভিত্তিতে কচুয়া ও দাউদকান্দি থানা পুলিশ ফিংগারফ্রিন্টের মাধ্যমে নিখোঁজ বাশারের মরদেহ শনাক্ত করে।

এদিকে নিহত বাশারের গ্রামের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। আবুল বাশার কোয়া চাঁদপুর হাজীবাড়ির মৃত আঃ মান্নানের ছেলে। তার স্ত্রী, ১ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তান রয়েছে। এই নৃসংশ হত্যাকান্ডের বিচারের দাবীতে উত্তাল জনতা বিক্ষোভ মিছিল করে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জানায়, নিখোঁজ বাশারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লার মর্গে লাশ প্রেরণ করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের একটি উর্ধ্বতন টিম হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital