বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

নাওড়া জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২, ৯:০৪ এম
নাওড়া জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি : নাওড়া আলোকিত সমাজের উদ্যোগে নাওড়া জামে মসজিদে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ এপ্রিল শুক্রবার উক্ত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আলোকিত নাওড়া গ্রামের যুবকদের উদ্যোগে বাদ আছর নামাজের পর থেকে রমজানের শিক্ষা ও হাকিকত নিয়ে আলোচনা করেন মসজিদের ইমাম মুফতি মানজুর আহমদ ফয়েজী। আলোচনা শেষে পাটওয়ারী পরিবারের সকল মরহুম ও জীবিত সদস্যগন সহ মুসল্লীদের জন্য দোয়া করা হয়। অতঃপর উপস্থিত সকলে ইফতারে অংশ গ্রহন করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি শামসুল আলম পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ পাটওয়ারী সহ কমিটির সকল সদদ্যবৃন্দ।
উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আলোকিত নাওড়া গ্রামের যুবশ্রেণি। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন মসজিদের মোয়াজ্জেম হাফেজ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
উল্লেখ্য, নাওড়া জামে মসজিদটি নাওড়া গ্রামের বিখ্যাত পাটওয়ারী পরিবারের উদ্যোগে স্থাপিত হয়েছে। যে পরিবারে কৃত্তি সন্তানদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যগণ হচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শাহরাস্তি-হাজীগঞ্জের চারবারের সাংসদ মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, সাবেক সচিব ড. আবদুস সাত্তার, কর্নেল দেলোয়ার, ক্যাপটেন জাকারিয়া, মরহুম শফিউল্লাহ পাটওয়ারী, পন্ডিত ফরিদ উদ্দিন, হায়দার আলী পাটওয়ারী সহ প্রমুখ। পাটওয়ারী পরিবারের পূর্ব পুরুষ এবং তাঁদেরই বর্তমান প্রজন্ম শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই মসজিদটির সার্বিক তত্বাবধান করে আসছেন। মসজিদটি কলেবরে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে শাহরাস্তি উপজেলায় একটি নান্দনিক মসজিদ হিসাবে সারা উপজেলায় পরিচিতি লাভ করেছে।

কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়নের রঘুনাপুর বাজারে হাটের সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগে প্রশাসনের নির্দেশে দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম উপস্থিতি থেকে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলে পরবর্তীতে দোকান সরিয়ে নেয়।
স্থানীয়রা জানান,কাদলা মৌজার সাবেক ১৫৫০ দাগের বিএস বর্তমান ২২২৪/৩৭৫৯ এর ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন নুরুল ইসলাম বেপারী। ওই জায়গাটি ব্যক্তি মালিকানা দাবী করে নুরুল ইসলাম বেপারীর ছেলেরা সরকারি শেডের উপর একটি অস্থায়ী দোকান নির্মাণ করেন। এই দোকান নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মালিকানা জায়গা অথবা সরকারি জায়গা বলে কুতুহল সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করলে স্থানীয় ভূমি অফিস ও সাংবাদিকরা সরে জমিনে আসলে জায়গার মালিক নুরুল ইসলাম বেপারীর ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম ৫ শতাংশ জায়গার সকল কাগজপত্র গুলো উপস্থাপনা করেন। খারিজ, দাখিলা, দলিল ও সকল কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখে ওই জায়গার প্রকৃতি মালিক নুরুল ইসলাম বেপারী। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমিক কর্মকর্তা  সরকারি শেডের উপর দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলে যান ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির স্যারের নির্দেশে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলে, দোকান সরিয়ে নেয়। জায়গার সঠিক কাগজপত্র থাকলে, বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, দোকান নির্মাণ করা হয়েছে, আমার বাবার ক্রয়কৃত জায়গায়।দলিল, খারিজ, দাখিলাসহ সকল কাগজপত্র রয়েছে আমাদের। একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে রয়েছে, কয়েক বছর আগে কাউকে না জানিয়ে জোরপূর্বক ঠিকাদার ও এলাকার একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে সরকারি শেড আমাদের জায়গার উপর নির্মাণ করেন। আমরা তখন বাধা দিলেও, তারা বাঁধা অপেক্ষা করেও শেড তৈরি করেন।