বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আঃ আউয়ালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২, ৩:২১ পিএম
শাহরাস্তির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আঃ আউয়ালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
রাফিউ হাসান : শাহরাস্তি উপজেলার মেহার দক্ষিন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম আঃ আউয়ালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
২০০৩ সালের এই দিনে(২২ এপ্রিল) তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এ উপলক্ষে মরহুম আঃ আউয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কোরআন খানি, দোয়া ও দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
এছাড়া মরহুমের মেঝ পুত্র ডাঃ আহসানুল কবির শাহরাস্তি পপুলার হাসপাতালে বিনামূল্যে দুঃস্থ-অসহায়দের চিকিৎসা সেবা দিবেন।
প্রসঙ্গত, বৃহত্তর মেহার ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট (চেয়ারম্যান) মরহুম আকিয়ত উল্যাহর পুত্র মরহুম আঃ আউয়াল শাহরাস্তি উপজেলার নিজমেহার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মেহার দক্ষিণ ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান হিসেবে সুখ্যাত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ কন্যা ও ৩ পুত্র রেখে যান। তার বড়ছেলে মোঃ সাইফুল কবির (এমএসসি) শাহরাস্তি পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও পেশায় ব্যবসায়ী।
মেঝ ছেলে ডাঃ আহসানুল কবির শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হৃদরোগের কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত। ছোট ছেলে মাহফুজুল কবির উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও পেশায় শাহরাস্তি পপুলার হাসপাতালের চেয়ারম্যান। মেয়েরা গৃহিণী।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।