শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

হৃদয়বিদারক : ফরিদগঞ্জে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মে, ২০২২, ১২:৪১ পিএম
হৃদয়বিদারক : ফরিদগঞ্জে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু
এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বড়ভাইয়ের হঠাৎ মৃত্যুর খবর শুনে মেঝ ভাইইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
৪ মে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ওয়াপদার দক্ষিণ পাশে ডা. ওয়ালীউল্লাহর বাড়ির পুকুরপাড়ে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
মৃত দুই ভাই হলেন, ওয়ালীউল্লাহ বাড়ির মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন (২৮) ও সোহেল রানা (২৬)।
এদিকে একসঙ্গে দুই সন্তানকে হারিয়ে তাদের মা জেসমিন আক্তার শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। হঠাৎ করে তার সন্তানদের মৃত্যু হওয়ায় তাকে সান্ত্বনা দিতে ছুটে আসেন এলাকার অনেকেই।
মৃত রুবেল হোসেন ও সোহেল রানার ছোটভাই আরিফ হোসেন জানান,  সকলে বৃষ্টির মধ্যে তার বড়ভাই রুবেল হোসেন বাড়ির পুকুরপাড়ে উজানের কৈই  মাছ ধরতে যান। দুই ঘণ্টা পরও রুবেল ঘরে ফিরে না আসায় সোহেল রানাও সেখানে যায়। এরমধ্যে পুকুরপাড়ে বড়ভাই মৃত এমন দৃশ্য দেখে সোহেল রানা চিৎকার শুরু করেন। একপর্যায়ে তারও চিৎকার বন্ধ হয়ে যায়।
এসময় বাড়ির অন্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যাওয়ার পর দুই ভাইকে একই অবস্থায় দেখেন আরিফ হোসেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই ভাইকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক মোজাম্মেল হোসেন জানান, স্থানীয়রা দুই ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই এই দুজন মারা গেছেন। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পরপর দু’জন মারা যান।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, দুটি মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।  কি কারনে রুবেলের মৃত্যু হয়েছে তা জানার জন্য তার লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সোহেলের লাশ পরিবারের লোকজনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান, মৃত দুজনের শরীরের কোথাও জখম কিংবা আঘাতের চিহ্ন নেই। তারপরও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে রুবেল মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।
মৃতদের স্বজনরা জানান,  রুবেল ও সোহেলের বাবা তাদের ছোট রেখে মারা যান। পরে মায়ের সঙ্গে তিনভাই থাকতেন। আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো ছিল না। বাবা না থাকায় তাদের মা অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছেন।  রুবেল দলিল লেখকের কাজ করতো, সোহেল ছোটখাটো চাকরি করতো। তবে তাদের কেউ বিয়ে করেননি।
ফরিদগঞ্জ পৌরসভায় হঠাৎ করে একসঙ্গে দুইভাইয়ের মৃত্যুতে স্বজনদের বাইরে আশপাশের লোকজনও শোকার্ত হয়ে পড়েন। এতে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
এদিকে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক প্রচার করা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital