শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পেইজের আয়োজনে শ্রেষ্ঠ প্রবীণ ও শ্রেষ্ঠ সন্তান সম্মাননা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুন, ২০২২, ২:৪৯ পিএম
পেইজের আয়োজনে শ্রেষ্ঠ প্রবীণ ও শ্রেষ্ঠ সন্তান সম্মাননা প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি : পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠ প্রবীণ, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে।

৫ জুন সকাল ১১টায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন প্রবীণ কমিটির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে এবং পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের কো-অডিনেটর মো. আহসান হাবীবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উপ-পরিচালক কবির আহমেদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন করা। স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে সহায়তা প্রদান এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানকারী প্রবীণ এবং যুবকদের সমাজসেবায় প্রেরণা যোগানোর জন্য বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সাল থেকে পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এই খাদেরগাঁও ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং সমাজসেবা মূলক কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মন্জুর হোসেন রিপন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পেইজ ডেভেলমেন্ট সেন্টার তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির সাহয়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের কাজকে সহযোগিতা করার জন্য ইউনিয়নের সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ঢালী, ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক মিয়াজী প্রমুখ।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পক্ষ থেকে খাদেরগাঁও ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবক, সংবাদকর্মীসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট দশ জনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ক্যাটাগরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধ মো. হাবিব উল্লাহ প্রধান, মো. রাজ্জাক মৃধা ও মো. মুকবুল প্রধানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। প্রবীণ হিসেবে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন অবসরপ্রাপ্ত সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি মো. জাকির হোসেন মজুমদার।

সংবাদকর্মী ও শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন নারায়ণপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল প্রধান হাসিব। করোনাকালীন সময়ে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য যুবকদের মধ্য থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন নারায়ণপুর রয়েল ফ্যামিলির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইমরুল কায়েস, ও জিসান আহমেদ। তরুণ উদ্যোক্ত হিসেবে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন মো. বাবু পাটোয়ারী। এছাড়া তিন জন বয়ষ্ক প্রতিবন্ধীদেরকে হুইল চেয়ার দেওয়া হয় এ সংস্থার পক্ষ থেকে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital