বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দু’প্রার্থীর ভোটযুদ্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫:৩৯ এম
চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দু’প্রার্থীর ভোটযুদ্ধ
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২২ এর তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশের ন্যায় চাঁদপুর জেলায় নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যদের নির্বাচন  অনুষ্ঠিত হবে।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ছিল প্রার্থীতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত দিন। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদা এম.এ.ওয়াদুদ, মোঃ তাফাজ্জল হোসেন পাটওয়ারী (এসডু) ও মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। সাধারণ সদস্য পদে প্রত্যাহার করেন ৫নং ওয়ার্ডের আবুল খায়ের ও ৬নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ জামাল হোসেন।

চেয়ারম্যান পদে ৩ জনের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ফলে এখন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রয়েছেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী ও প্রবাসী মো. জাকির হোসাইন।

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই ও বাছাই শেষে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন ৫জন। সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী ছিলেন ৩৭জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রার্থী ছিলেন ১২জন। প্রত্যাহার শেষে সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী রয়েছে ৩৫জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১২জনই বহাল আছেন।

Model Hospital

বাছাইয়ে বাতিল হয় ৫ জন। বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন ৩ জন। এর মধ্যে ১ জন আপিলের পর প্রার্থীতা বৈধ হয়। তিনি হলেন মতলব দক্ষিন ৪ নং ওয়ার্ডের বাদল ফরাজী।

এদিকে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আজ সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। চূড়ান্ত হওয়া ২ চেয়ারম্যান, ৩৫ সাধারণ সদস্য ও ১২ সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীসহ মোট ৪৯জনের মাঝে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ হবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৭ অক্টোবর। নির্দলীয় এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৬ পিএম
কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ
কচুয়ায় একটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং একপেশে প্রতিবেদন দাখিলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামলার বাদী মোছা. আছমা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ কচুয়া আমলি আদালতে ২৫৩/২০২৫ নম্বর মামলা হিসেবে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন আছমা। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডি চাঁদপুরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম।
বাদীর অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ওই কর্মকর্তা ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি টাকা দেওয়ার জন্য তাকে চাপ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই না করেই একপেশে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬ আইজিপির দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দেন বাদী। এতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং অন্য কোনো নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
বিবাদী আসমা আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমার সন্তানের হত্যাকারীর বিচারের জন্য মামলা দায়ের করলে, সরজমিনে তদন্ত জন্য আদালত নির্দেশ দেয়। পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম মামলা তদন্ত করতে আসলে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। আমরা টাকা দেওয়ার পরও বিবাদীর কাছ থেকে আরো অধিক সুবিধা নিয়ে  একতরফা তদন্ত রিপোর্ট দেয়। আমি ন্যায় বিচারের জন্য আদালত, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।