বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সরকারি কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব, বর্তমান শিক্ষার্থীদের আনন্দ উচ্ছ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১:৩০ পিএম
চাঁদপুর সরকারি কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব, বর্তমান শিক্ষার্থীদের আনন্দ উচ্ছ্বাস

ক্যাম্পাস রিপোর্ট : মেঘনা পাড়ের বাতিঘর বলে পরিচিত চাঁদপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে আগামী ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চাঁদপুরবাসীর প্রাণের উৎসব, চাঁদপুর সরকারি কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব।

ঐতিহ্যের উৎকর্ষে উল্লাসের ৭৫ বছর প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে আসছে পূর্তি উৎসবের মূহূর্ত। রেজিস্ট্রেশেন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কলেজ কনফারেন্স কক্ষে বিগত সভায় বর্তমান শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দেয়ায় বর্তমান শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আনন্দিত ও খুশী। তারা উৎসব কমিটির আহবায়ক চাঁদপুর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ, সদস্য সচিব পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল এবং রেজিস্ট্রেশন কমিটির আহবায়ক পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বিভাগগুলোতে উৎসবের আমেজ এবং রেজিস্ট্রেশন করতে আসা বর্তমান শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্নাতক সম্মান রসায়ন বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহ পরান রেজিস্ট্রেশন করতে এসে বলল, ‘‘উৎসব কমিটির সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। আমরা রানিং স্টুডেন্ট, আমরা যদি ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব মিস করি, তাহলে শতবর্ষ উৎসবে কে কোথায় থাকি বলা যায়। তাই ৭৫ বছরের এই প্রাণের উৎসব আমি মিস করতে চাই না। তাছাড়া মাতৃপীঠের শতবর্ষ উৎসব দেখেছি এবং ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ স্মারক জাতীয় বিতর্ক উৎসব আমাদের এই প্রাণের ক্যাম্পাসে হতে দেখেছি। রানিং স্টুডেন্ট সকলকে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করতে অনুরোধ করব, না হলে পরে আবার মিস করতে হবে।’’

Model Hospital

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মত আমাদের চারুকলা বিভাগ নেই ঠিকই, কিন্তু আমাদের আছে অদম্য ইচ্ছা শক্তি। বর্তমানে অধ্যয়নরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী নিজেদের অর্থে কলেজ প্রবেশদ্বার সংলগ্ন মূল ভবনের ভিতরের দেয়ালে ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন রঙের আলপনা এঁকেছে। কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ আজ দুপুর ২ টায় আলপনা অংকনরত শিক্ষার্থীদের দেখে আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কলেজে চারুকলা বিভাগ নেই, কিন্তু আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীদের সুন্দর মন রয়েছে। সেই সুন্দর মনে তারা অনেক সুন্দর ছবি অংকন করেছে। পুরো দেয়ালটাকে চমৎকারভাবে আলপনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছ, আমি তাদের এই সৃষ্টিশীল কাজের সাধুবাদ জানাই।’’

নবীন এবং প্রবীণের মেলা বসবে, আগামী ২৪ এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে। যতই দিন ঘনিয়ে আসছে ততই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জমে উঠেছে কলেজ ক্যাম্পাস। বর্তমান শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব বিভাগে যোগাযোগ করে আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।

চাঁদপুরবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, চাঁদপুর সরকারি কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসবের জন্য।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital