শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

চীনে ‘জনসংখ্যা বাড়াতে’ এক সপ্তাহের জন্য কলেজ ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩, ৭:২০ পিএম
চীনে ‘জনসংখ্যা বাড়াতে’ এক সপ্তাহের জন্য কলেজ ছুটি

চীনে জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় উদ্বেগ ইতিমধ্যে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জন্মহার বাড়ানোর জন্য সরকারের রাজনৈতিক উপদেষ্টারা বিভিন্ন সুপারিশ করছেন সরকারের কাছে। সেজন্য বেশ কয়েকটি কলেজ জাতীয় উদ্বেগকে সমর্থন করার জন্য একটি অনন্য পরিকল্পনা নিয়েছে। এপ্রিল মাসে চীনের নয়টি কলেজ শিক্ষার্থীদের ‘প্রেমে পড়ার জন্য’ এক সপ্তাহ ছুটি দিচ্ছে।

এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এনবিসি নিউজ অনুসারে, ছুটি ঘোষণা করা কলেজগুলোর মধ্যে মিয়ানয়াং ফ্লাইং ভোকেশনাল কলেজ একটি। সেখানে ২১ মার্চ বসন্ত বিরতির ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ছুটিতে ভালোবাসার ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছিল। সেই ছুটি এবার ১ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ‘প্রকৃতিকে ভালবাসতে, জীবনকে ভালবাসতে এবং বসন্তের বিরতি উপভোগ করার মাধ্যমে ভালবাসা উপভোগ করতে’ উৎসাহিত করা হয়েছে।

মিয়ানয়াং ফ্লাইং ভোকেশনাল কলেজের ডেপুটি ডিন লিয়াং গুওহুই এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমি আশা করি শিক্ষার্থীরা সবুজ পানি এবং সবুজ পাহাড় দেখতে যাবে এবং বসন্তের নিঃশ্বাস অনুভব করবে। এটি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের দিগন্তকে বিস্তৃত করবে না এবং তাদের অনুভূতিরও বিকাশ ঘটাবে এবং শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের বিষয়বস্তুকে সমৃদ্ধ ও গভীর করবে।

Model Hospital

শিক্ষার্থীদের জন্য বাসার কাজের মধ্যে রয়েছে ডায়েরি লেখা, ব্যক্তিগত বিকাশের রেকর্ড রাখা এবং ভ্রমণের ভিডিও তৈরি করা। এই প্রচেষ্টা জন্মহার বাড়ানোর উপায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সরকার জন্মহার বাড়ানোর জন্য ২০টিরও বেশি পরিকল্পনা নিয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন জনসংখ্যার হ্রাস কমাতে আরও ভালো কাজ করতে সক্ষম।

১৯৮০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে আরোপিত এক-সন্তান নীতির মাধ্যমে চীন নিজের জন্য একটি জনসংখ্যা হ্রাসগত গর্ত খনন করেছে। কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালে সন্তান নীতির সংখ্যা বাড়িয়ে তিন করেছে। কিন্তু এখন বাড়িতে থাকার সময়েও, দম্পতিরা বাচ্চা নিতে অনিচ্ছুক। অল্পবয়সীরা সন্তান জন্মের বিষয়কে উচ্চ শিশু যত্ন ও শিক্ষা ব্যয়, স্বল্প আয়, দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তা এবং লিঙ্গ বৈষম্যকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে।

চলতি মাসে চীনের পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) বার্ষিক সভায় চীন সরকার জন্মের হার বাড়ানোর প্রস্তাবে বেশকিছু পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে।

গত বছর ছয় দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো জনসংখ্যা কমে যাওয়ার তথ্য দেখানোর পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন তার জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য এসব প্রস্তাবকে ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে নিয়েছে। বার্ধক্য এবং ক্ষয়িষ্ণু জনসংখ্যাকে জরুরীভাবে বিবেচনা করছে।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।