শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ঈদের কেনাকাটা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩, ৪:২৯ পিএম
চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ঈদের কেনাকাটা

চাঁদপুরে এবার রোজার শুরুতেই ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়েছে। দশ রোজার পর এখন মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বাজারে, শপিংমলে। জেলা শহড় চাঁদপুরের ফুটপাত থেকে অভিজাত শপিংমলে জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা। তবে পোশাকের দামে এবার হোঁচট খাচ্ছেন ক্রেতারা। এরই মধ্যে ঈদের বাহারি পোশাকে ভরেছে দোকানপাট ও শপিংমলগুলো।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার কারণে গত তিন বছর ব্যবসা তেমন হয়নি। তাই এ বছর সব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান তারা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম অনেক বেশি বলে জানান ক্রেতারা। ক্রেতারা বলছেন, নিত্যবাজারে যেমন দাম বেড়েছে সব পণ্যের, পোশাকের দামও বেড়েছে তেমন ভাবেই।

শনিবার চাঁদপুরের সর্ববৃহৎ বেচাকেনার স্থান হকার্স মার্কেট, হাকিম প্লাজা, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, পুরোবী মার্কেট, ফয়সাল শপিং কমপ্লেক্স সহ ছোট বড়সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের উডছেপড়া ভিড়। সবচেয়ে এখন বেশি ভিড় হকার্স মার্কেটে।

এই মার্কেটে মেয়েদের শাড়ি, থ্রি-পিস, বোরকা, জুতা-স্যান্ডেল, এমিটেশান অলঙ্কার, কসমেটিকস থেকে শুরু করে সবকিছুই পাওয়া যায়, ফলে নারী ক্রেতার সমাগম বেশি। ছেলেদের নিত্য নতুন ডিজাইনের পাঞ্জাবি, জিন্স, টি-শার্ট এবং থান কাপড়ের দোকান থাকায় এই মার্কেটে ছেলেদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। এছাড়া, সিট কাপড়ের দোকানেও বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

Model Hospital

হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান খান মিলন জানান, এবার রোজার শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। নারী ও শিশুদের নিত্যনতুন ফ্রক, স্কার্ট, লেহেঙ্গা, টু-পিস, থ্রি-পিস ও বোরকার দোকান হিসেবে পরিচিত হকার্স মার্কেট।

হাকিম প্লাজার ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে এখন প্রতিদিনই সব ধরনের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন ক্রেতা বাড়ছে। কেনাকাটাও বাড়ছেপুরোবী শপিং সেন্টারের ব্যবসায়ী জানান, পাঁচ রোজার পর থেকে বেচাকেনা অনেক বেড়েছে। এবার বিক্রিও হচ্ছে ভালো। ক্রেতার ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন। মার্কেটে আসা ক্রেতারা জানান, গত বছর করোনার প্রভাব ছিল। বাজারে ভিড় ছিল না। কিন্তু এ বছর বাজারে ভিড়ও বেশি, কাপড়-চোপড়ের দামও অনেক। গত বছর যে প্যান্ট কেনা হয়েছিল ৮০০ টাকায়, এবার ওই ধরনের প্যান্ট কিনলাম ১২০০ টাকায়। স্ত্রীর জন্য যে পোশাক গত বছরে কেনা হয়েছিল এক হাজার টাকায়, ওই একই ধরনের পোশাকের দাম বেড়ে হয়েছে ১৫০০-১৭০০ টাকা। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় থ্রি-পিসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে এ সব মার্কেটে ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।

এ ছাড়াও মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। ঈদ উপলক্ষে শহড়ে যানজট নিরশনের জন্য ট্রাফিক পুলিশের পাশা-পাশি স্কাউটের সদস্যরা ও সড়কে যান বাহন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তাঁরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলা এবং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সমবেদনা জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল। খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদ মিয়াজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি সোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাগর, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এএসএম বদরুদ্দোজা দুলাল পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুলতান কাজী প্রমুখ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরান হোসেন মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জিলানী তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মিয়াজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাবের ছিদ্দিকি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ মাহমুদ জিসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গেল মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।