শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের ৬ মডেল মসজিদে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ২০ লাখ টাকা

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩৮ পিএম
চাঁদপুরের ৬ মডেল মসজিদে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ২০ লাখ টাকা

চাঁদপুরের মডেল মসজিদগুলোর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। জেলার ৯টি মডেল মসজিদের মধ্যে ৬টিতে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি বকেয়া কচুয়া উপজেলা মডেল মসজিদে। গত তিন বছরে মসজিদটিতে সাড়ে ৭ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে।

কচুয়া মডেল মসজিদের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. হাসান মজুমদার জানান, তাদের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা। প্রতি মাসে ১০০ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এখানে সাব-স্টেশন স্থাপন করায় বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলেও বিল আসার কথা ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। কিন্তু প্রতি মাসে বিল আসে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। অথচ শুক্রবার জুমার নামাজের সময় টাকা ওঠে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। শুরুতে কিছু বিল তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সমন্বয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছিল।

ফিল্ড সুপারভাইজার আরও বলেন, ‘মডেল মসজিদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ক্যাটাগরি মতে ১১ জনের একটি কমিটি রয়েছে। তবে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসায় কেউ দায়িত্ব নিতে চান না। এখানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিস ছাড়াও হাফেজিয়া মাদ্রাসা, ইমাম প্রশিক্ষণ ও ইসলামিক পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে।’

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. বেলায়েত হোসেন জানান, কচুয়া মডেল মসজিদের বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছে না তিন বছর ধরে।

Model Hospital

এ ছাড়া হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি মডেল মসজিদেরও বিল বকেয়া রয়েছে। তিনটিতে প্রায় ১২ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার মো. রাশেদুজ্জামান জানান, তাদের এলাকায় চারটি মডেল মসজিদ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে মতলব দক্ষিণ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও হাইমচর উপজেলা মডেল মসজিদ। মতলব উত্তরের মডেল মসজিদে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি। বাকি তিনটিতে বিল বকেয়া ৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে চাঁদপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হিসাবরক্ষক ছিদ্দিকুর রহমান জানান, চাঁদপুরের ৯টি মডেল মসজিদ। জেলা মডেল মসজিদ এখনও হয়নি। বাকি আট উপজেলায় ৮টির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একটি এখনও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি। সদর উপজেলা মডেল মসজিদে এখন জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয় পরিচালনা করা হচ্ছে। এই মসজিদে মিটার সিস্টেমে বিল পরিশোধ করতে হয়। ইতোমধ্যে তাদের বাজেটও শেষ পর্যায়ে। উপজেলা মডেল মসজিদের বিদ্যুৎ বকেয়া বিল বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ টাকা। গেল নভেম্বরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তথ্যে প্রায় ১৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে বলে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital