শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

গৃদকালিন্দিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায়

আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ : লায়ন হারুনুর রশিদ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ : লায়ন হারুনুর রশিদ

ফরিদগঞ্জের গৃদকালিন্দিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দ।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে ২০২৬) বিকেলে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গৃদকালিন্দিয়া মাঠে এ ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনাল খেলায় বারপাইকা-বদরপুর স্পোর্টিং ক্লাবের মুখোমুখি হয় রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড একাদশ। দেশ-বিদেশের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে জমে ওঠা এ ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল করতে পারেনি। পরে টাইব্রেকারে ৭ নম্বর ওয়ার্ড একাদশ ১ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
খেলা শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ববিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ বলেন, “গৃদকালিন্দিয়া মাঠে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল খেলায় ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতি প্রমাণ করে, মানুষ এখনও ভালো আয়োজনের পাশে থাকে। কোনো গ্যালারি ছাড়াই খোলা মাঠে, স্কুল ভবনে, এমনকি গাছে উঠে দর্শকরা খেলা উপভোগ করেছেন। এটি এই টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তার বড় প্রমাণ।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সন্তান আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে বলে আশা করছি।”
টুর্নামেন্ট কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেন খানের সভাপতিত্বে খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লায়ন মো. হারুনুর রশিদের সহধর্মিণী নাজমা বেগম, কন্যা তাসফিয়া মুশাররাত রাফা (তন্বী), উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটওয়ারী, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টিপু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মহসীন মোল্লা, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম এম টুটুল পাটওয়ারী, জেলা যুবদলের সদস্য ফজলুর রহমান, সোহেল খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম স্বপন, বিএনপি নেতা মহসিন পাটওয়ারী, মো. শরীফ খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital