বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গৃদকালিন্দিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায়

আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ : লায়ন হারুনুর রশিদ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ : লায়ন হারুনুর রশিদ

ফরিদগঞ্জের গৃদকালিন্দিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দ।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে ২০২৬) বিকেলে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গৃদকালিন্দিয়া মাঠে এ ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনাল খেলায় বারপাইকা-বদরপুর স্পোর্টিং ক্লাবের মুখোমুখি হয় রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড একাদশ। দেশ-বিদেশের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে জমে ওঠা এ ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল করতে পারেনি। পরে টাইব্রেকারে ৭ নম্বর ওয়ার্ড একাদশ ১ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
খেলা শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ববিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ বলেন, “গৃদকালিন্দিয়া মাঠে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল খেলায় ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতি প্রমাণ করে, মানুষ এখনও ভালো আয়োজনের পাশে থাকে। কোনো গ্যালারি ছাড়াই খোলা মাঠে, স্কুল ভবনে, এমনকি গাছে উঠে দর্শকরা খেলা উপভোগ করেছেন। এটি এই টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তার বড় প্রমাণ।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সন্তান আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে বলে আশা করছি।”
টুর্নামেন্ট কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেন খানের সভাপতিত্বে খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লায়ন মো. হারুনুর রশিদের সহধর্মিণী নাজমা বেগম, কন্যা তাসফিয়া মুশাররাত রাফা (তন্বী), উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটওয়ারী, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টিপু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মহসীন মোল্লা, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম এম টুটুল পাটওয়ারী, জেলা যুবদলের সদস্য ফজলুর রহমান, সোহেল খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম স্বপন, বিএনপি নেতা মহসিন পাটওয়ারী, মো. শরীফ খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।