শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

আশা সিমেন্ট, স্বপ্ন কারিগর-নির্মাণে আস্থার সঙ্গী, হাজীগঞ্জে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
আশা সিমেন্ট, স্বপ্ন কারিগর-নির্মাণে আস্থার সঙ্গী, হাজীগঞ্জে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আবুল খায়ের গ্রুপের অন্যতম একটি পণ্য “আশা সিমেন্ট ” কতৃক কুমিল্লা রিজিওনের আওতাধীন চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের এক্সক্লুসিভ ডিলার “মজুমদার বিল্ডার্স” এর অধীনে “কনস্ট্রাকশন সাব-কন্ট্রাক্টর ও রাজ মিস্তিরিদের নিয়ে “আশা সিমেন্ট-স্বপ্ন কারিগর ” কর্মশালা ও আনন্দ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছ।

২৪ আগস্ট ২০২৬ইং রোজ সোমবার দিনব্যাপী হাজীগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন আনন্দ প্যালেস কমিউনিটি সেন্টারের ৩য় তলায় এই কর্মশালা ও আনন্দ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও হাজীগঞ্জের মজুমদার বিল্ডার্সের প্রোপাইটর, আশা সিমেন্টের এক্সক্লুসিভ ডিলার মোঃ হাসিবুল হাসান ডালাস বলেন, আশা সিমেন্টকে গ্রাহকদের কাছে সঠিক সময়ে পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে আশা সিমেন্ট বাজার চাহিদার মধ্যে অন্যতম, আশা সিমেন্টকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি সকল নির্মান শ্রমিক, কন্ট্রাকটারসহ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবুল খায়ের গ্রুপের আশা সিমেন্টের কুমিল্লা বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আলী রেজা মো. তালহা।

Model Hospital

ওই সময় তিনি বলেন, আশা সিমেন্ট বাংলাদেশে প্রথম ট্রিপল টেস্টের সিমেন্ট যা খুবই মিহি এবং খুবই দ্রুত বন্ডিং তৈরি করে যার ক্লিনকার ৮০-৯৪%। একটি বাড়ি বানানোর জন্য অনেকের অবদান রয়েছে। তবে সাব কন্টাকটার ও রাজমিস্ত্রির অবদান সবচেয়ে বেশি। অনুষ্ঠান শেষে তিনি উপস্থিত সাব কনট্রাকটর ও রাজমিস্ত্রিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার মো. ওমর ফারুক।

ওই সময় তিনি বলেন, নির্মাণ কাজের জন্য সেরা মানের সিমেন্টের মধ্যে অন্যতম আশা সিমেন্ট। যা আবুল খায়ের গ্রুপ বাংলাদেশে এই প্রথম ত্রিপল টেস্টেড সিমেন্ট হিসেবে বাজারজাত করন করছে। আর আবুল খায়ের গ্রুপ সব সময় ভালো মানের পণ্য তৈরি করে আসছে। আশা সিমেন্ট গুণগতমান নিশ্চিত করে আপনাদের সকলের প্রত্যাশা পূরণ করবে।

অনুষ্ঠান শুরুতে উপস্থিত সাব কন্টাকটার ও রাজমিস্ত্রিদের মধ্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ডিং প্রচারে প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাত হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তির ডিলার “মেসার্স ইব্রাহীম খলিল এন্ড সন্স “এর স্বত্ত্বাধীকারী আলহাজ্ব মো: নুরুজ্জামান শরীফ, কচুয়ার ডিলার মেসার্স রাশেদ এন্টারপ্রাইজের” স্বত্ত্বাধীকারী মো: রাশেদুল ইসলাম, আশা সিমেন্টের এরিয়া ম্যানেজার মো.আসাদুজ্জামান রাজিব, আশা সিমেন্টের চাঁদপুর জেলার সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ ইবরাহিম এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার মো: আবু বকরসহ অনেকেই।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মজুমদার বিল্ডার্সের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, প্রোপাইটর এবং হাজীগঞ্জ আশা সিমেন্টের এক্সক্লুসিভ ডিলার মোঃ হাসিবুল হাসান ডালাস।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।