বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সরকারি কলেজে উৎসবমূখর পরিবেশে ফল উৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুন, ২০২২, ২:০৫ পিএম
চাঁদপুর সরকারি কলেজে উৎসবমূখর পরিবেশে ফল উৎসব

ক্যাম্পাস রিপোর্ট : মেঘনা পাড়ের বাতিঘর বলে খ্যাত চাঁদপুর সরকারি কলেজে ১২ জুন (রবিবার) সকাল ১০ টায় উৎসবমূখর পরিবেশে রাজু ভবনের সামনে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী ফলের সাথে বর্তমান প্রজন্মকে পরিচিত করা এবং বিলুপ্ত প্রায় বিভিন্ন দেশীয় ফল সংরক্ষনের উদ্দেশ্যে ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়।

ফল উৎসবটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশের সভাপ্রধানে ফল উৎসবে অতিথি ছিলেন চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মাহবুবুর রহমান, পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌস, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, চাঁদপুরের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ফল উৎসবে ১৭ টি বিভাগ ১৭টি স্টলে ৪৩ প্রজাতির দেশীয় ফল প্রদর্শন করেন। অতিথিরা বিভিন্ন স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কিভাবে এ বিলুপ্ত প্রায় ফলগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে সে সম্পর্কে জেনে নেন।

Model Hospital

রসায়ন বিভাগের স্টলে লটকন, দেশী গাব এবং বিলাতি গাব; অর্থনীতি বিভাগের স্টলে কলা, নারিকেল ও ডাব; বাংলা বিভাগের স্টলে বেতুন, বৈঁচি, বেলুম্ব, কাঠবাদাম ও তালের শাঁস; ইংরেজি বিভাগের স্টলে আনার ও ডালিম; ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের স্টলে জামরুল, ডুমুর ও দেশি খেজুর; প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্টলে হরিতকি, আমলকী, বহেরা ও আড়বরই; সমাজকর্ম বিভাগের স্টলে জাম্বুরা, কামরাঙ্গা ও বেল; ইতিহাস বিভাগের স্টলে পেঁপে; ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্টলে ডেউয়া ও কাউ; দর্শন বিভাগের স্টলে নুইন্যা, করমচা ও গুটিজাম; পদার্থবিদ্যা বিভাগের স্টলে তরমুজ; উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের স্টলে আনারস, ছাগলনাদি, জগডুমুর, আমড়া ও বুতিজাম; ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্টলে আম; হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্টলে লিচু ও পেয়ারা; গণিত বিভাগের স্টলে কাঁঠাল; রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্টলে জাম ও সফেদা এবং ভূগোল বিভাগের স্টলে ছিল চালতা, তেঁতুল ও লেবু ছিল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, ‘মধু মাসে চাঁদপুর সরকারি কলেজ কর্তৃক ফল উৎসবের আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। উৎসবে এসে বিভিন্ন প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় ফলের সংগ্রহ দেখলাম। এই ফলগুলোর মধ্যে অনেক ফল আমরা খেয়েছি, অনেক ফল খাওয়ার সুযোগ হয়নি। চাঁদপুর সরকারি কলেজ চাঁদপুর জেলার অন্যতম বিদ্যাপীঠ, আশা করছি অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও এমন উদ্যোগ গ্রহণ করবে এবং এসব ফল সংরক্ষণের চেষ্টা করবে। চাঁদপুরের উন্নয়নের রূপকার, চাঁদপুরের মাটি ও মানুষের নেত্রী মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এম.পি এর বিশেষ নজর রয়েছে চাঁদপুরের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রতি। চাঁদপুর সরকারি কলেজ আরো এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশাই আমরা করছি।’

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ বলেন, আজকের এই ফল উৎসব আয়োজনের লক্ষ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে দেশি ফলের সাথে পরিচিত করা এবং ফলগুলো কিভাবে সংরক্ষণ করতে হয় তা হাতে কলমে শিক্ষা দেয়া। আজকের আয়োজনে আমরা ৪৩টি প্রজাতির ফল উপস্থাপন করেছি কিন্তু এর মধ্যে অনেক ফল আছে যেগুলোর সাথে আমাদের নতুন প্রজন্ম পরিচিত না এবং ফলগুলো বিলুপ্তির পথে। ফল সংরক্ষণ, আবহাওয়া ও অনুকূল পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ফল উপস্থাপন করাই ছিল আমাদের আজকের আয়োজনের লক্ষ্য।

ফল উৎসব আয়োজনের সময় পদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বাহার, ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খালেদ ইকবাল, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক মোঃ শেখ সাদী এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা মনোষ্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে উৎসবস্থল মাতিয়ে রাখেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।