বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে আসবাবপত্র চুরি করে বিক্রির ঘটনায় তদন্ত টিম গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুন, ২০২২, ২:৩৪ পিএম
চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে আসবাবপত্র চুরি করে বিক্রির ঘটনায় তদন্ত টিম গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চেয়ার টেবিল সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র গোপনে চুরি করে বিক্রি করার ঘটনায় অবশেষে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত হাসপাতালে স্টোর কিপার মারজানকে বাঁচাতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

টেন্ডার ছাড়া হাসপাতালে সরকারি মাল এভাবে চুরি করে বিক্রি করার ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
হাসপাতালে চেয়ার টেবিল স্টোর কিপার মারজান ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে পুরান বাজার রয়েজ রোড বাবা রাইস মিলস সংলগ্ন পুরাতন লোহার ব্যবসায়ী মিন্টু কাছে বিক্রি করেন।

ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর অবশেষে হাসপাতালে স্টোর কিপার মারজান সেই পুরাতন লোহার ব্যবসায়ী মিন্টুর কাছে গিয়ে চুরি করে বিক্রি ঘটনাটি যাতে কারো কাছে স্বীকার না করে সেজন্য তাকে চাপ প্রয়োগ করেন।

এদিকে হাসপাতালে তদন্ত টিম গঠন করার পর থেকে কোন বাজারের সেই ব্যবসায়ী মিন্টু তার দোকান বন্ধ করে ঘা ঢাকা দেয়।
ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে ও হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ চুরি করে মালামাল বিক্রি করার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে ধরা সম্ভব হবে।

Model Hospital

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় মালামাল গেল কিছুদিন পূর্বে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি হয়।
সে সময় হাসপাতালে চেয়ার টেবিল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি না করে সেগুলো হাসপাতালে পুরাতন ভবনের পিছনে উপরে উঠার সিঁড়ির খালি জায়গায় দুই বছর যাবত রাখা ছিলো।

হাসপাতালে মালামাল টেন্ডারে মাধ্যমে বিক্রি করার কিছুদিন পর হাসপাতালে স্টোর কিপার মারজান ও জাকিরের যোগসাজশে সিঁড়ির গোড়ায় পড়ে থাকা চেয়ার টেবিল গোপনে পুরাণবাজারে মিন্টু নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন।

এই বিষয়ে জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতালে সেই অসাধু কর্মকর্তা স্টোর কিপার মারজান ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা চালায়। তবে সাংবাদিকরা ঘটনাটি জেনে হাসপাতাল থেকে বিক্রি হওয়া মালামালের সন্ধান পায় ও তথ্যপ্রমাণ বক্তব্যসহ ভিডিও ধারণ করে রাখে।

এ ঘটনায় হাসপাতালে দায়িত্বরত স্টোর কিপার মারজানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান ও এই ধরনের মালামাল বিক্রি করেনি বলে জানান।

চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক একেএম মাহবুবুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে চুরি করে মাল অন্যত্রে বিক্রি করার বিষয়টি জানার পর সুষ্ঠু তদন্ত করার লক্ষ্যে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
যদি প্রমাণিত হয় তাহলে যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।