রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এমএম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার স্মরনে শোক র‌্যালি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২, ৪:৩২ পিএম
এমএম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার স্মরনে শোক র‌্যালি
গাজী মোঃ মহসিন : চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নস্থ ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব এম এম নুরুল হক এর স্মরণে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মনজুরুল হক শোয়েবের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ইউপি সদসদের নিয়ে শোক র্যালি কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ৬ আগষ্ট শনিবার সকাল ১০টায় শোক র‌্যালিটি বিদ্যালয় মাঠে থেকে শুরু হয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের আশিকাটি চাঁদ খার বাজার প্রদক্ষিণ হয়ে পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে শেষ।
শোক র‌্যালি কর্মসূচীতে সকলে অংশগ্রহন করায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পাটওয়ারী।
শোক র‌্যালি কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আলহাজ্ব মনজুরা হক, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মনজুরুল হক শোয়েব, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পাটওয়ারী, শিক্ষা উপদেষ্টা বিশিষ্ট লেখক জেসমিন মুন্নী, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সেলিম পাটওয়ারী বাবুল, আশিকাটি ইউপি সদস্য মোঃ মহসিন মৃর্ধা, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আলী আহসান মিজি, সিনিয়র শিক্ষক আঃ মান্নান, ফয়েজ আহমেদ, মোঃ দেলোয়ার মুন্সী, বিশ্বজিৎ দাস, জৌতিষ সরকার সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
উল্লেখ্য, আলহাজ্ব এম এম নুরুল হক ৯৮ বছর বয়সে গত ২৫ জুলাই রাতে ঢাকাস্থ উত্তরার নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারনে ইন্তেকাল করেছেন। কর্মজীবনে তিনি সাতটি ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি ছিলেন দানশীল ও পরোপকারী ব্যক্তি। তিনি তার নিজ এলাকা আশিকাটি ইউনিয়নের চাঁদখার বাজার এলাকায় এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এছাড়াও তিনি মনজুরা ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও আল আরাফা জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, নাতি নাতনি আত্মীয়-স্বজনসহ বহুগুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে আশিকাটি তথা চাঁদখার বাজার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ঔইদিন সোমবার বাদ মাগরিব এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।