শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘গোল্ডেন বল-বুট’ নিয়ে খোলা পিকআপে শহর ঘুরলেন সাবিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:৪৫ এম
‘গোল্ডেন বল-বুট’ নিয়ে খোলা পিকআপে শহর ঘুরলেন সাবিনা

সাফ শিরোপাজয়ী নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনকে গতকাল শুক্রবার সাতক্ষীরায় ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়েছে। তাঁকে নিয়ে বর্ণিল শোভাযাত্রা করা হয়। এ সময় সর্বস্তরের মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। গতকাল সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে একটি কালো প্রাইভেট কারে করে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসের সামনে পৌঁছান ফুটবলকন্যা সাবিনা খাতুন।

এরপর একটি খোলা পিকআপে ওঠেন তিনি। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনাকে এ সময় দুই হাত নেড়ে অভিবাদন জানায় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়ানো শত শত মানুষ। সাতক্ষীরা-যশোর সড়কে দেখা যায় জনতার ব্যাপক ভিড়। সাবিনা খাতুন পিকআপে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে জনতার অভিবাদনের জবাব দেন।

সাতক্ষীরা সার্কিট হাউস মোড় থেকে শহর ঘুরে নিউ মার্কেট, সঙ্গীতা মোড় হয়ে, টাউন স্পোর্টিং ক্লাব, পুরনো সাতক্ষীরা, কলেজ মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড়ে এসে পিকআপটি থামে। গোটা শহর ঘুরে সাবিনা সাতক্ষীরার মানুষসহ গোটা দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান। জাতীয় পতাকাবাহী পিকআপটি সাবিনাকে নিয়ে শহর প্রদক্ষিণকালে শিশু, কিশোর, যুব-বৃদ্ধ—সবার উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। শহর প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট মোড় থেকে ফুটবলকন্যা সাবিনা খাতুন ফিরে যান নিজ বাড়িতে। পুরো পথে হাজারো মানুষ তাঁকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানায়।

এর আগে ভোর ৫টার দিকে সাবিনা খাতুন রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সাতক্ষীরায় তাঁর নিজ বাড়িতে পৌঁছান। এ সময় সাবিনা খাতুন তাঁর প্রয়াত বাবা সৈয়দ আলী ও প্রয়াত গুরু আকবর আলীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান। শহর প্রদক্ষিণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সাবিনা খাতুন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের এ বিজয় দেশবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেছি। বাবা বেঁচে থাকলে তিনি আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। ’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার প্রয়াত শিক্ষাগুরু আকবর আলীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। সাতক্ষীরাসহ দেশবাসীর ভালোবাসায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল বিজয় উল্লাস প্রকাশ করতে পারছে। এ জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ (বাফুফে) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাবলীল সহযোগিতা আমাদের উদ্দীপ্ত করেছে। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিয়ে থাকেন। তিনি আমাদের সব সময় প্রেরণা দিচ্ছেন। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রেরণা ও দেশবাসীর ভালোবাসায় এগিয়ে যাব—ইনশাআল্লাহ। ’

Model Hospital

এ সময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে দলের আরেক ফুটবলার সাতক্ষীরার মাসুরা বাড়িতে না আসায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা পিছিয়ে আজ শনিবার সকালে নির্ধারণ করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital