শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের অনুরোধে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি; মিঠুন ভদ্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২, ৪:০০ পিএম
সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের অনুরোধে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি; মিঠুন ভদ্র

স্টাফ রিপোর্টার : সাবেক ছাত্র নেতা ও হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সন্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী সত্যব্রত ভদ্র (মিঠুন ভদ্র) বলেছেন, পারিবারিক ভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশকে লালন করে ছাত্র জীবন থেকে এদলের রাজনীতি করছি, ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির মধ্য দিয়ে হাজীপুর উপজেলা বাসীর সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সুখ দুঃখে তাদের পাশে ছিলাম।

তাই এই উপজেলা বাসীর সর্বস্তরের জনগণ ও দলের তৃনমুল নেতাকর্মীদের অনুরোধে আমি হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সন্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি।

তিনি বলেন,এই দলের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি ও আমার পরিবারের মতো এই উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কিন্তু কখনো আর্দশ থেকে কখনো সরে দাঁড়াইনি।

তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক জীবনের বিগত সকল কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে উক্ত পদে অধিষ্ঠিত করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

Model Hospital

তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা সবাই একই আর্দশের রাজনৈতিক দলের কর্মী বা একই পরিবারের সদস্য। রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত আপনাদের সাথে ছিলাম আমৃত্যু থাকবো।

প্রিয় কাউন্সিলর ও ডেলিগেট বন্ধুরা আমি আপনাদের ভাই হিসেবে সন্মেলনে আমি আপনাদের সমর্থন প্রত্যাশা করছি।
উল্লেখ্য, কিশোর বয়স থেকে এ দলের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর যখন কেউ আওয়ামী লীগের নাম মুখে নিতো না, তখন তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আঃ রব এমপি, অ্যাডঃ আবু জাফর মাঈনুদ্দিন দের সাথে কিশোর বয়সে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করেন।

তিনি ১৯৮৩ সালে হাজীগঞ্জ উপজেলা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সহ সভাপতি, ১৯৮৭ সালে হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্র লীগের দপ্তর সম্পাদক, ১৯৮৯ হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্র লীগের সহ সভাপতি, ১৯৯২ সালে একই উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ছাএ রাজনীতি শেষে ২০০৬ সাল থেকে দীর্ঘদিন চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি ২০১২ সাল থেকে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি এই দলের রাজনীতি করতে গিয়ে কিশোর বয়স থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২৯ টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় ২৯ বার গ্রেফতার, বেশ কয়েকবার কারাবরন, স্বৈরাচার এরশাদ ও জিয়া ও খালেদা জিয়া সরকারের মেয়াদকালে মোট ১৮ বার হত্যা চেষ্টার শিকার হন। ছাত্রলীগ করা বা নেতা হওয়ার কারণে বিএনপি জামাত সরকার মেয়াদে পিতা মাতা, ভাই বোনদের অপমানিত করা হয় ও কয়েক বার বাসা বাড়িতে আগুন সন্তাস,হামলা ও ভাংচুর করা হয়।

১৯৯৩ -১৯৯৪ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) রফিুল ইসলাম বীর উত্তম হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি আসনে নৌকা প্রতীককে নির্বাচন করতে আসলে ঐ সময়ের হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মিঠুন ভদ্রের নেতৃত্বে হাজীগঞ্জ উপজেলার ছাত্র লীগ কে তৃণমূল থেকে শক্তিশালী করে প্রায় ২ যুগ পর আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করেন।

তিনি ছাত্র লীগের নেতৃত্বকালে কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্র লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও ওয়ার্ড ছাত্র লীগের কমিটি করে আলোচনায় আসেন। তন্মধ্যে ২৫ টি হাই স্কুল বা উচ্চ বিদ্যালয়,১৪ টি মাদ্রাসা, ৪ টি কলেজ, ১টি পৌরসভা, ১১টি ইউনিয়ন, ১০৮ টি ওয়ার্ড ছাত্র লীগের কমিটি করে তিনি তৎকালীন ছাত্র লীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট থেকে প্রশংসা অর্জন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital