বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

মোহনপুর ইউপি’র উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৩:৫৭ পিএম
মোহনপুর ইউপি’র উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষনা করেছেন রিটানিং কর্মকর্তা কাজী আবু বকর সিদ্দিক।

সোমবার দুপুর ৩টায় মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতীকে প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই প্রধান। স্বতন্ত্র প্রার্থী ১১জন। তারা হলো- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য কাজী মিজানুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মাস্টার, অ্যাডভোকেট মো. সেলিম মিয়া, মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মতিন কাজী, কাজী আবু জাফর, মো. বদিউল আলম, আবু হানিফ অভি, শরিফ মাহমুদ সায়েম, ফয়সাল আহমেদ, রেজাউল করিম, হাবিবুর রহমান তপাদার।

উল্লেখ্য, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার পর্যন্ত প্রাথীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১৬ মার্চ মতলব উত্তর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Model Hospital

একই দিন মতলব উত্তর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে ২জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রও যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও মোহনপুর ইউপি’র উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী আবু বকর সিদ্দিক মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থী শ্যামল চন্দ্র দাস ও আতাউর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করেন।

কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৬ পিএম
কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ
কচুয়ায় একটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং একপেশে প্রতিবেদন দাখিলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামলার বাদী মোছা. আছমা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ কচুয়া আমলি আদালতে ২৫৩/২০২৫ নম্বর মামলা হিসেবে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন আছমা। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডি চাঁদপুরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম।
বাদীর অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ওই কর্মকর্তা ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি টাকা দেওয়ার জন্য তাকে চাপ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই না করেই একপেশে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬ আইজিপির দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দেন বাদী। এতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং অন্য কোনো নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
বিবাদী আসমা আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমার সন্তানের হত্যাকারীর বিচারের জন্য মামলা দায়ের করলে, সরজমিনে তদন্ত জন্য আদালত নির্দেশ দেয়। পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম মামলা তদন্ত করতে আসলে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। আমরা টাকা দেওয়ার পরও বিবাদীর কাছ থেকে আরো অধিক সুবিধা নিয়ে  একতরফা তদন্ত রিপোর্ট দেয়। আমি ন্যায় বিচারের জন্য আদালত, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।