বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সরকারি কলেজে ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ’ উপলক্ষে সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩, ২:৪৫ পিএম
চাঁদপুর সরকারি কলেজে ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ’ উপলক্ষে সেমিনার

ক্যাম্পাস রিপোর্ট : মেঘনাপাড়ের বাতিঘর চাঁদপুর সরকারি কলেজে ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, চাঁদপুরের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শীর্ষক সেমিনার কলেজ অডিটোরিয়ামে সোমবার (৬ মার্চ) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশের সভাপ্রধানে এবং বাংলা বিভাগের প্রভাষক ফাতেমা আক্তারের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো: মিলন মাহমুদ বিপিএম (বার), জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, পৌর মেয়র মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসুদুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

Model Hospital

শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন, আরবি ও ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আল-আমিন এবং পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ।

তিনি এ আয়োজনে সংম্লিষ্ট সকলকে কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, চাঁদপুর সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো: শামসুল আলম। সেমিনার প্রবন্ধে ৭ই মার্চের ভাষণকে বঙ্গবন্ধুর অমর রচনা, বাঙ্গালীর মহাকাব্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এ মহাকাব্য বাঙ্গালীর স্বাধীনতার লালিত স্বপ্ন থেকে উৎসারিত। এমন মহাকাব্য রচনা কেবলমাত্র বঙ্গবন্ধুর পক্ষেই সম্ভব। জাতীর মুক্তির প্রশ্নে, স্বাধীনতার প্রশ্নে এবং দেশ গঠনের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ১৯ মিনিটের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক দলিল।

সেমিনারে মূখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও ছড়াকার ডা. পিযুষ কান্তি বড়ুয়া এবং বিশেষ আলোচক ছিলেন পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। সেমিনারে বক্তাগণ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীরসেনানীকে।

তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে, এটি একটি অভাবনীয় ভাষণ ছিল। ভাষণের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য মুক্তিকামী বাঙালির শিরায় শিরায় প্রবাহিত হয়েছে, আমাদেরকে উজ্জীবিত করেছে। এই ভাষণটি বিশ্বমানবতার জন্য অবিস্মরণীয় ও অনুকরণীয় মূল্যবান দলিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো: মিলন মাহমুদ বিপিএম (বার) শিক্ষার্থীদের সাথে ৭ই মার্চের ভাষণ ও মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ইন্টারেক্টিভ আলোচনা করেন। শিক্ষার্থীরা স্বত:স্ফূর্ত ভাবে ইন্টারেক্টিভ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস যুগিয়েছিল রাজনৈতিক কবি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণটি।’ তিনি শিক্ষার্থীদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ, মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং শিক্ষার্থীরা সেসকল প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে লেখাপড়ার পাশাপাশি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদেরকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানান তিনি। প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিবৃন্দ সুন্দর আয়োজনের জন্য কলেজ পরিবারকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন আয়োজনে চাঁদপুর সরকারি কলেজ পরিবারকে সাথে পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে সেমিনারটিকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।