বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে পাগড়ী প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩, ৩:৪০ পিএম
হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে পাগড়ী প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের বড় শাহতলী গ্রামের মাজার সংলগ্ন মরহুম খন্দকার সামছুল হক এতিম খানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে পাগড়ী প্রদান করা হয়েছে।

১৮ মার্চ সকাল ৬টায় হযরত শাহ মাহমুদ বাগদাদী (রহ) বাৎসরিক ওরশ মাহফিল শেষে মাদ্রাসায় প্রথম হাফেজ হওয়া ছাত্রদের মাঝে পাগড়ী প্রদান ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

মরহুম খন্দকার সামছুল হক এমিত খানা ও হাজেফিজায় মাদ্রাসা প্রথম হাফেজ হাওয়া ছাত্ররা হচ্ছেন মোঃ সাব্বির খন্দকার, মোঃ রিয়াদ হোসেন, মোঃ মোজাম্মেল বেপারী।

এ তিন কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে পাগড়ী প্রদান করেন শাহতলী কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ কামাল হোসাইন, ডেমরা ফুলমতি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা বদিউজ্জামান বাহার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট তাহেরিয়া জামে মসজিদের খতিব মুফতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম বাগদাদী।

Model Hospital

মাদরাসার পরিচালক মোঃ বাকের খন্দকার, খন্দকার এনামুল হক বাবলু, খন্দকার রবিউল হক টিটু, খন্দকান শাহিদুল আলম মাহফুজ, খন্দকার মুকবুল আহমেদ, মরহুম খন্দকার সামছুল হক এতিম খানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক উপস্থিতিতে থেকে হাফেজদের মাঝে পাগড়ী প্রদান করেন।

হাফেজরা সর্বশ্রেষ্ঠ বাণী কোরআনের ধারক। চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নে প্রাণকেন্দ্রে এই শিক্ষা প্রতিতষ্ঠানটি জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছেন। উত্তরোত্তর এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠা পরিচালকরা প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেছে। মাদরাসার পরিবেশ ও শিক্ষার গুণগত মান দেখে অভিভাবকরা যাতে আনন্দিত হয়, সেলক্ষ্য নিয়েই তারা এগুচ্ছে। শিক্ষকসহ এ প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সাথে যারা জড়িত তাঁদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন অতিথিবৃন্দ।

উল্লেখ্য হযরত শাহ মাহমুদপুর বাগদাদি (রহ) এর বাৎসরিক ওরম ও মাহফিল সুষ্ঠ ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ওয়াজ করেন শাহতলী কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ কামাল হোসাইন। মাহফিলে প্রধান বক্তরা হিসেবে ওয়াজ করেন, আর্ন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বক্তা, ঢাকা ডেমরা ফুলমতি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা বদিউজ্জামান বাহার, বিভিন্ন টেলিভিশনের আলোচ্যক ঢাকা মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট তাহেরিয়া জামে মসজিদের খতিব মুফতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম বাগদাদী, আলহাজ¦ মাওলানা মোহাম্মদ আলী আল-কাদেরী, ভড়ঙ্গারচর ছালেহীয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসার মুদিও মাওলানা মোঃ মাইনুদ্দিন, খন্দকার বাড়ি জামে মসজিদের ঈমাম হাফের আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মোঃ জুবায়ের আনসারী।

আগাগী বছর ২১ ফ্রেব্রুয়ারী মাজারের বাৎসরিক ওরশ মাহফিলের তারিখ নির্ধারন করেন মাহফিল কর্তৃপক্ষ।
পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠানে মাদ্রসার ছাত্রদের মাঝে পুরস্কুর তুলে দেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী মোঃ জহিরুল হক লালু মাষ্টার।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital