বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবুরহাট হাজী মোবারক মার্কেটের পাশের ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ১:৫০ পিএম
বাবুরহাট হাজী মোবারক মার্কেটের পাশের ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের মতলব রোডের মাথার হাজী মোবারক মার্কেটের মূল ফটকসহ আশ পাশের  ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি করেছেন মার্কেট ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের পাশের বিভিন্ন রকমের ফুতপাতের দোকানের কারনে মার্কেট ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পাহাতে হচ্ছে। সড়ক বিভাগ ও পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন মার্কেট ব্যবসায়ীরা।
এসব ভ্রাম্যমাণ ফুতপাতের কারনে কারনে মার্কেটের বেচাকেনা দিন দিন কমে আসছে, ফুতপাতের কারনে মার্কেটে ক্রেতা সমাগম দিন দিন কম হচ্ছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে লোকমানে পড়ছে। কিছু অসাধু ব্যাক্তি বাজার কমিটির কিছু লোককে ম্যানেজ করে হাজী মোবারক মার্কেটের সামনে ফুতপাতের দোকান স্থা্য়ী ভাবে বসিয়েছে। বিষয়টি দেখবেকে। সড়ক ভবন কয়েক বছর পরপর উচ্ছেদ অভিযান করার পর কয়েকদিন দখল বন্ধ থাকে, পড়ে আবার দখলের মহাউৎসব লেগে থাকে।
বাবুরহাট মতলব রোডের মাথার হাজী মোবারক মার্কেটের মূল ফটক ফুটপাত পথচারীদের নাকি হকারদের তা বোঝা মুশকিল। মার্কেটের পশ্চিম পাশের সব রাস্তা ফুটপাতের  দখলে। ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী হকারদের কারনে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লোকশান দিয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু এ ভাবে কতদিন চলবে। মতলব রোডের মাথায় বিশাল মার্কেটে নিচতলা ও দোতালায় মিলে অজস্র দোকান রয়েছে। রয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং,  হোটেল এন্ড রেস্টুডেন্ট, ডেন্টাল প্যাথলজি সেন্টারসহ বিভিন্ন রকমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এ মার্কেটের সামনে ফুটপাত ধরে হাঁটতে বর্তমানে চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
মার্কেটের সামনের এই ভোগান্তি যেন দেখার কেউই নেই। কিন্তু পৌরকর্মকর্তারা বলছেন, পথচারীদের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সব  ফুটপাতে যেন স্থায়ীভাবে বসছে।
বাবুরহাট এলাকার বারবার উচ্ছেদ অভিযান সত্ত্বেও ফুটপাত পুরোটাই বেশিরভাগ সময় থাকে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে। কিছু কিছু দোকান রাস্তার ওপরই রীতিমতো ‘স্থায়ী’ রূপে স্থাপন করতে দেখা গেছে। সড়ক বিভাগ বিষয়টি তদারকি করে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখলে মার্কেটের সামনের ফুটপাত দখল অবমুক্ত হত, স্বচ্ছন্দে ক্রেতারা কেনা কাটা করে ফিরতে সহয হত। ব্যবসায়ীরা উপকৃত হতো, ক্রেতা সমাগম এর উপস্থিতিতে জমে উঠত হাজী মোবারক মার্কেটের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।