ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাবুরহাট হাজী মোবারক মার্কেটের পাশের ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের মতলব রোডের মাথার হাজী মোবারক মার্কেটের মূল ফটকসহ আশ পাশের  ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি করেছেন মার্কেট ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের পাশের বিভিন্ন রকমের ফুতপাতের দোকানের কারনে মার্কেট ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পাহাতে হচ্ছে। সড়ক বিভাগ ও পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন মার্কেট ব্যবসায়ীরা।
এসব ভ্রাম্যমাণ ফুতপাতের কারনে কারনে মার্কেটের বেচাকেনা দিন দিন কমে আসছে, ফুতপাতের কারনে মার্কেটে ক্রেতা সমাগম দিন দিন কম হচ্ছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে লোকমানে পড়ছে। কিছু অসাধু ব্যাক্তি বাজার কমিটির কিছু লোককে ম্যানেজ করে হাজী মোবারক মার্কেটের সামনে ফুতপাতের দোকান স্থা্য়ী ভাবে বসিয়েছে। বিষয়টি দেখবেকে। সড়ক ভবন কয়েক বছর পরপর উচ্ছেদ অভিযান করার পর কয়েকদিন দখল বন্ধ থাকে, পড়ে আবার দখলের মহাউৎসব লেগে থাকে।
বাবুরহাট মতলব রোডের মাথার হাজী মোবারক মার্কেটের মূল ফটক ফুটপাত পথচারীদের নাকি হকারদের তা বোঝা মুশকিল। মার্কেটের পশ্চিম পাশের সব রাস্তা ফুটপাতের  দখলে। ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী হকারদের কারনে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লোকশান দিয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু এ ভাবে কতদিন চলবে। মতলব রোডের মাথায় বিশাল মার্কেটে নিচতলা ও দোতালায় মিলে অজস্র দোকান রয়েছে। রয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং,  হোটেল এন্ড রেস্টুডেন্ট, ডেন্টাল প্যাথলজি সেন্টারসহ বিভিন্ন রকমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এ মার্কেটের সামনে ফুটপাত ধরে হাঁটতে বর্তমানে চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
মার্কেটের সামনের এই ভোগান্তি যেন দেখার কেউই নেই। কিন্তু পৌরকর্মকর্তারা বলছেন, পথচারীদের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সব  ফুটপাতে যেন স্থায়ীভাবে বসছে।
বাবুরহাট এলাকার বারবার উচ্ছেদ অভিযান সত্ত্বেও ফুটপাত পুরোটাই বেশিরভাগ সময় থাকে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে। কিছু কিছু দোকান রাস্তার ওপরই রীতিমতো ‘স্থায়ী’ রূপে স্থাপন করতে দেখা গেছে। সড়ক বিভাগ বিষয়টি তদারকি করে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখলে মার্কেটের সামনের ফুটপাত দখল অবমুক্ত হত, স্বচ্ছন্দে ক্রেতারা কেনা কাটা করে ফিরতে সহয হত। ব্যবসায়ীরা উপকৃত হতো, ক্রেতা সমাগম এর উপস্থিতিতে জমে উঠত হাজী মোবারক মার্কেটের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাবুরহাট হাজী মোবারক মার্কেটের পাশের ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি

আপডেট সময় : ০১:৫০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের মতলব রোডের মাথার হাজী মোবারক মার্কেটের মূল ফটকসহ আশ পাশের  ফুটপাত উচ্ছেদের দাবি করেছেন মার্কেট ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের পাশের বিভিন্ন রকমের ফুতপাতের দোকানের কারনে মার্কেট ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পাহাতে হচ্ছে। সড়ক বিভাগ ও পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন মার্কেট ব্যবসায়ীরা।
এসব ভ্রাম্যমাণ ফুতপাতের কারনে কারনে মার্কেটের বেচাকেনা দিন দিন কমে আসছে, ফুতপাতের কারনে মার্কেটে ক্রেতা সমাগম দিন দিন কম হচ্ছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে লোকমানে পড়ছে। কিছু অসাধু ব্যাক্তি বাজার কমিটির কিছু লোককে ম্যানেজ করে হাজী মোবারক মার্কেটের সামনে ফুতপাতের দোকান স্থা্য়ী ভাবে বসিয়েছে। বিষয়টি দেখবেকে। সড়ক ভবন কয়েক বছর পরপর উচ্ছেদ অভিযান করার পর কয়েকদিন দখল বন্ধ থাকে, পড়ে আবার দখলের মহাউৎসব লেগে থাকে।
বাবুরহাট মতলব রোডের মাথার হাজী মোবারক মার্কেটের মূল ফটক ফুটপাত পথচারীদের নাকি হকারদের তা বোঝা মুশকিল। মার্কেটের পশ্চিম পাশের সব রাস্তা ফুটপাতের  দখলে। ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী হকারদের কারনে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লোকশান দিয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু এ ভাবে কতদিন চলবে। মতলব রোডের মাথায় বিশাল মার্কেটে নিচতলা ও দোতালায় মিলে অজস্র দোকান রয়েছে। রয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং,  হোটেল এন্ড রেস্টুডেন্ট, ডেন্টাল প্যাথলজি সেন্টারসহ বিভিন্ন রকমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এ মার্কেটের সামনে ফুটপাত ধরে হাঁটতে বর্তমানে চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
মার্কেটের সামনের এই ভোগান্তি যেন দেখার কেউই নেই। কিন্তু পৌরকর্মকর্তারা বলছেন, পথচারীদের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সব  ফুটপাতে যেন স্থায়ীভাবে বসছে।
বাবুরহাট এলাকার বারবার উচ্ছেদ অভিযান সত্ত্বেও ফুটপাত পুরোটাই বেশিরভাগ সময় থাকে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে। কিছু কিছু দোকান রাস্তার ওপরই রীতিমতো ‘স্থায়ী’ রূপে স্থাপন করতে দেখা গেছে। সড়ক বিভাগ বিষয়টি তদারকি করে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখলে মার্কেটের সামনের ফুটপাত দখল অবমুক্ত হত, স্বচ্ছন্দে ক্রেতারা কেনা কাটা করে ফিরতে সহয হত। ব্যবসায়ীরা উপকৃত হতো, ক্রেতা সমাগম এর উপস্থিতিতে জমে উঠত হাজী মোবারক মার্কেটের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।