শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ে বিচ্ছেদে পিছিয়ে সিলেট, এগিয়ে রাজশাহী

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৩, ১২:৩৪ পিএম
বিয়ে বিচ্ছেদে পিছিয়ে সিলেট, এগিয়ে রাজশাহী

রাজশাহী বিভাগে বিয়ে বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে প্রতি হাজার জনসংখ্যার হিসাবে বিচ্ছেদ ঘটছে ১ দশমিক ৩৬ জনের। বিয়ে বিচ্ছেদে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ। বিভাগটিতে বিচ্ছেদের হার প্রতি হাজারে ১ দশমিক শূন্য ৮ জন। সবচেয়ে কম বিচ্ছেদ ঘটে সিলেট বিভাগে। সেখানে প্রতি হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে বিচ্ছেদ হার শূন্য দশমিক ১৯ জন।

সারাদেশে গড়ে প্রতি এক হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে তালাকের অনুপাত শূন্য দশমিক ৭৩ জন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস অব বাংলাদেশ ২০২১’ জরিপের ফলাফলে এসব তথ্য জানা গেছে।

জরিপের তথ্যমতে, দাম্পত্য সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য তালাক ব্যবস্থা গ্রহণ করা মানুষের সংখ্যা বেশি গ্রামে। শহরে এ হার গ্রামের তুলনায় কম। আগের বছরের হারের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, তালাকের ঝুঁকি গত বছরের তুলনায় পরিবর্তিত হয়েছে। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালের জরিপে বিয়ে বিচ্ছেদের ঝুঁকি প্রায় ১৭ শতাংশ কমেছে।

শহর ও পল্লি অঞ্চলের বাসস্থানের ভিত্তিতে তালাকের এ অনুপাতে পার্থক্য বিদ্যমান। শহরে এ হার শূন্য দশমিক শূন্য ৫ ও পল্লি অঞ্চলে শূন্য দশমিক শূন্য ৬। এছাড়া প্রশাসনিক বিভাগগুলোর মধ্যে বিয়ে বিচ্ছেদের এ চিত্রে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে।

Model Hospital

এতে দেখা যায়, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে বিয়ে বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি। এ দুই বিভাগে এটির হার শূন্য দশমিক শূন্য ৮। বিচ্ছেদের হার সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে। সেখানে এ হার শূন্য দশমিক শূন্য ১।

তালাকের হারের সঙ্গে শিক্ষার একটি নেতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, যাদের মধ্যে ন্যূনতম শিক্ষা নেই, তাদের মধ্যে এ হার শূন্য দশমিক ২৯ এবং যাদের মাধ্যমিক বা তার ওপরের স্তরের শিক্ষা রয়েছে, তাদের মধ্যে এ হার শূন্য দশমিক শূন্য ৩।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital