ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষ্যে কাজ করবো : গোলাম হোসেন

নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবেন তাকেই আমরা নেতা হিসাবে গ্রহণ করবো : ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি

কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Model Hospital

সভায় ছিল ব্যতিক্রম আয়োজন। তিন ধারায় বিভক্ত কচুয়ার তিন নেতাকে একই মঞ্চে বসার উদ্যোগ নিয়ে ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান শিশির। সভায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি ও রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন উপস্থিত থাকলেও কেন্দ্রেীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে যোগদান করায় তিনি এ সভায় অংশ গ্রহণ করতে পারেননি।

এ সভাকে কেন্দ্র করে গত দু’দিন তিন ধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীদের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করতে দেখা গেছে। সভার শুরুতেই উপস্থিত দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে মৃদু উত্তেজনা বিরাজ করলেও দুই নেতা ও অনুষ্ঠানের সভাপতি শাহজাহান শিশিরের হস্তক্ষেপে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করে দুই নেতার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শোক দিবসের আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘটে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহজাহান শিশিরের সভাপতিত্বে ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. কবির হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি।

এসময় তিনি বলেন- জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওতায় আমাদের কোন রাগ নাই, থাকতে পারে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অর্জন করার জন্যে কচুয়ার উন্নয়নের জন্যে আগামী নির্বাচনে যাকে মনোনয়ন দিবেন তাকেই আমরা নেতা হিসাবে গ্রহণ করবো। আমাদের মধ্যে যদি বিরোধ হয় বিএনপি-জামাত অপশক্তিরা মাথা চারা দিয়ে উঠবে।

এ জাতীয় শোক দিবসে আমরা শপথ গ্রহণ করি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ কচুয়াকে সোনার বাংলার অন্যতম অংশ হিসাবে রূপান্তরিত করার জন্য আমাদের তরফ থেকে দায়িত্ব নিলাম। এ কচুয়ায় সম্ভাব্য বিরোধ দূর করে এক বাক্যে এক মনে এগিয়ে যেয়ে কচুয়াকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করবো। বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করে, শেখ হাসিনার কথা স্মরণ করে আমরা এই শপথ নেই, আমাদের কচুয়া হবে সোনার কচুয়া, সকলের জন্য উন্নয়নের প্রগতির নিলয়। তা হলেই আমাদের সকলের নিরাপদের আশ্রয়।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কচুয়া আসনে নৌকার যৌথ মনোনয়ন প্রাপ্ত ও দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. গোলাম হোসেন। এসময় তিনি বলেন- রবিন্দ্রনাথের গানের কলি- আমরা সাবাই রাজা, এই যদি অবস্থা হয় তাহলে শৃঙ্খলা থাকে না। আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি আমার পরম শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। আমরা সকলেই ড. মহীউদ্দীন খানের ছায়ায় রাজনীতি করি।

আপনার মতো মুরব্বি থাকতে কচুয়ায় আওয়ামী লীগের ৩ ধারা কেন বলবে মানুষ? আসুন, এক সাথে কথা বলি, এক সাথে কাজ করি। দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষ্যে আমরা সকলে এক হয়ে কাজ করবো।

গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি যৌথভাবে এই কচুয়া আসন থেকে মনোনয়ন পেয়ে ছিলাম। শেষ মুহুর্তে মনোনয়ন দৌড়ে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এগিয়ে যাওয়ায় আমি তাকে সর্বপ্রথম অভিনন্দন জানাই এবং আমার নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করি। আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আমিও নৌকার মনোনয়ন চাইবো। এই কচুয়ায় আওয়ামী লীগের যে ঘাটি, সে ঘাটির এক অংশ আমার সাথে। তাদেরও সৃষ্টি আপনি। আজকে দিনে এই শোক হউক আমাদের সকলের শক্তি। জাতির পিতা কেবল আওয়ামী লীগের সম্পদ নয়। তিনি সমগ্র বাঙ্গালী জাতির পিতা।

এয়াছাড়া বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল প্রধান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাচ্ছেল হোসেন খান প্রমুখ। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষ্যে কাজ করবো : গোলাম হোসেন

নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবেন তাকেই আমরা নেতা হিসাবে গ্রহণ করবো : ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি

আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩

কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Model Hospital

সভায় ছিল ব্যতিক্রম আয়োজন। তিন ধারায় বিভক্ত কচুয়ার তিন নেতাকে একই মঞ্চে বসার উদ্যোগ নিয়ে ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান শিশির। সভায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি ও রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন উপস্থিত থাকলেও কেন্দ্রেীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে যোগদান করায় তিনি এ সভায় অংশ গ্রহণ করতে পারেননি।

এ সভাকে কেন্দ্র করে গত দু’দিন তিন ধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীদের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করতে দেখা গেছে। সভার শুরুতেই উপস্থিত দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে মৃদু উত্তেজনা বিরাজ করলেও দুই নেতা ও অনুষ্ঠানের সভাপতি শাহজাহান শিশিরের হস্তক্ষেপে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করে দুই নেতার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শোক দিবসের আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘটে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহজাহান শিশিরের সভাপতিত্বে ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. কবির হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি।

এসময় তিনি বলেন- জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওতায় আমাদের কোন রাগ নাই, থাকতে পারে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অর্জন করার জন্যে কচুয়ার উন্নয়নের জন্যে আগামী নির্বাচনে যাকে মনোনয়ন দিবেন তাকেই আমরা নেতা হিসাবে গ্রহণ করবো। আমাদের মধ্যে যদি বিরোধ হয় বিএনপি-জামাত অপশক্তিরা মাথা চারা দিয়ে উঠবে।

এ জাতীয় শোক দিবসে আমরা শপথ গ্রহণ করি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ কচুয়াকে সোনার বাংলার অন্যতম অংশ হিসাবে রূপান্তরিত করার জন্য আমাদের তরফ থেকে দায়িত্ব নিলাম। এ কচুয়ায় সম্ভাব্য বিরোধ দূর করে এক বাক্যে এক মনে এগিয়ে যেয়ে কচুয়াকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করবো। বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করে, শেখ হাসিনার কথা স্মরণ করে আমরা এই শপথ নেই, আমাদের কচুয়া হবে সোনার কচুয়া, সকলের জন্য উন্নয়নের প্রগতির নিলয়। তা হলেই আমাদের সকলের নিরাপদের আশ্রয়।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কচুয়া আসনে নৌকার যৌথ মনোনয়ন প্রাপ্ত ও দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. গোলাম হোসেন। এসময় তিনি বলেন- রবিন্দ্রনাথের গানের কলি- আমরা সাবাই রাজা, এই যদি অবস্থা হয় তাহলে শৃঙ্খলা থাকে না। আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি আমার পরম শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। আমরা সকলেই ড. মহীউদ্দীন খানের ছায়ায় রাজনীতি করি।

আপনার মতো মুরব্বি থাকতে কচুয়ায় আওয়ামী লীগের ৩ ধারা কেন বলবে মানুষ? আসুন, এক সাথে কথা বলি, এক সাথে কাজ করি। দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষ্যে আমরা সকলে এক হয়ে কাজ করবো।

গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি যৌথভাবে এই কচুয়া আসন থেকে মনোনয়ন পেয়ে ছিলাম। শেষ মুহুর্তে মনোনয়ন দৌড়ে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এগিয়ে যাওয়ায় আমি তাকে সর্বপ্রথম অভিনন্দন জানাই এবং আমার নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করি। আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আমিও নৌকার মনোনয়ন চাইবো। এই কচুয়ায় আওয়ামী লীগের যে ঘাটি, সে ঘাটির এক অংশ আমার সাথে। তাদেরও সৃষ্টি আপনি। আজকে দিনে এই শোক হউক আমাদের সকলের শক্তি। জাতির পিতা কেবল আওয়ামী লীগের সম্পদ নয়। তিনি সমগ্র বাঙ্গালী জাতির পিতা।

এয়াছাড়া বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল প্রধান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাচ্ছেল হোসেন খান প্রমুখ। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।