বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগ 

স্বতন্ত্র প্রার্থী রেদওয়ান খান বোরহানের ট্রাক প্রতীকের ব্যাপক প্রচার প্রচারনা অব্যাহত

গাজী মোঃ মহসিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১০:১২ পিএম
স্বতন্ত্র প্রার্থী রেদওয়ান খান বোরহানের ট্রাক প্রতীকের ব্যাপক প্রচার প্রচারনা অব্যাহত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারে কাছে ট্রাক প্রতীকে ভোট চেয়ে দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ রেদওয়ান খান বোরহান।
শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাইমচর উপজেলার ৪নং নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা বাজার, নীলকমল বাজার,মাঝির বাজার ও সাহেব বাজারে সাধারন নারী ও পুরুষ ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের মূল্যবান ভোট প্রদানের উৎসাহ করেন এবং ট্রাক প্রতীকের ভোট প্রার্থনা করেন মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগ করেন।
এছাড়াও তিনি হাইমচারের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন।
মতবিনিময় ও গণসংযোগেকালে আলহাজ্ব রেদওয়ান খান বোরহান বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উৎসবমুখর এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলক নির্বাচন করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে আপনারা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে আমাকে নির্বাচিত করবেন।
তিনি আরো বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে নির্বাচনী এলাকায় সাধারন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছি। আমি আপনাদের সুখে-দুখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি আগামীর পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে আগামী ৭ জানুয়ারি ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন। অনিয়ম ও দুর্নীতি রুখতে ঐক্যবদ্ধভাবে ট্রাক মার্কায় ভোট দিন পরিবর্তনের শপথ নিন, ট্রাক মার্কায় ভোট দিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ট্রাক প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান সেলিম, হাইমচর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মিজান খান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রেনু বেগম, রাবেয়া বেগম, ময়না বেগম, চান্দ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মোল্লা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য তামিম পাটওয়ারী, জিশান পাটওয়ারী সহ স্বানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এর আগে গত বুধবার (২০ ডিসেম্বর) তিনি উপজেলার ৮নং বাগাদী ইউনিয়নের ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন। পরে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করে ট্রাক প্রতীক মার্কার জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।