বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গ্রামের ছেলেমেয়েরা জীবনমূখী হয় : চাঁদপুর সদর ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকত

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯:৩২ পিএম
গ্রামের ছেলেমেয়েরা জীবনমূখী হয় : চাঁদপুর সদর ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকত
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের বীর প্রতীক মমিন উল্লাহ একাডেমির ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আজহার উদ্দিন পাটওয়ারী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা হলেই উপজেলা কেন্দ্র কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি সফল। আপনারা সারা জীবন অসংখ্য পরীক্ষা দিবেন। জীবনের প্রতিটি ধাপই হলো এক একটা পরীক্ষা। এসএসসি পরীক্ষা দেয়াকে আপনারা স্বাগত জানান। ভয় না পেয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিতে হবে। যে যেই বিষয়ে ভালো পারেন সেটা দিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আর যদি খারাপ বিষয় নিয়ে শুরু করেন তাহলে মন ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরীক্ষা নিয়ে অস্থিরতা বিরাজ করা যাবে না। কোন টেনশন নেয়া যাবে না। এই পরীক্ষা কোন প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষা না। নিয়ম মেনেই পরীক্ষা দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, যারা এবছর দশম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত আছেন, তারাও আগামীতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। তাই তারা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। তাহলে তখন আর কোন চিন্তা হবে না। আপনি যদি জীবনে সম্মানিত হতে চান, তাহলে লেখাপড়া করাই হচ্ছে সহজ পথ। আর অন্য যে পথ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে অনেক কঠিন। আপনি যদি ভলো করে লেখাপড়া করেন তাহলে আপনার সফলতা আসবেই। বৈধ উপায়ে অনেক টাকা উপার্জন করা সম্ভব। নারীরাও ভালোভাবে পড়ালেখা করে ভালো চাকরি করতে পারেন। ভালোভাবে লেখাপড়া করলে কোন জায়গায় আটকাবে না। যারা সফল হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই গ্রাম থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থী। গ্রামের ছেলেমেয়েরা জীবনমূখী হয়। যদিও পরে শহরে উচ্চ শিক্ষা কিংবা কর্মমূখী হলে তা দুইটা অধ্যায় অর্জন করতে পারে। আপনি যদি সম্মান চান তাহলে সহজ পথ হচ্ছে লেখাপড়া করতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানের সকল এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভ কামনা করছি।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী।
একাডেমির সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র মোহাম্মদ হোসেন এর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামুনুর রহমান সহ একাডেমির অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন একাডেমির ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুর রাউফ হোসেন।
উল্লেখ্য, এবছর উক্ত একাডেমি থেকে ৪৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।