বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তিযোদ্ধা ও নাট্যাভিনেতা মোহাম্মদ আলীর আজ ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০:৩১ পিএম
মুক্তিযোদ্ধা ও নাট্যাভিনেতা মোহাম্মদ আলীর আজ ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যাভিনেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর ৪০ তম মৃত্যুবার্ষিকী।

এ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী স্মৃতি সংসদ তাঁর স্মরণে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তৎকালীন চাঁদপুর মহকুমায় মোহাম্মদ আলী বিভিন্ন নাটকে সুনিপুণ অভিনয় করে তাঁর বিরল প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন।

বিশেষ করে তিনি স্বাধীনতা উত্তরকালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও বিটিভির শক্তিমান অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী, আনোয়ার হোসেন, নায়ক প্রবীর মিত্রসহ অনেক খ্যাতিমান অভিনেতার সাথে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তৎকালীন বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার আন্তঃজেলা নাট্যোৎসবে বর্ণচোরা নাট্যগোষ্ঠীর পক্ষে অভিনয় করে বেশ ক’বার একক পুরস্কার লাভ করেন। সুনিপুণ অভিনয় প্রতিভার মাধ্যমে তৎকালীন চাঁদপুর মহকুমায় অসংখ্য ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুরাগী সৃষ্টি করতে সফল হন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কিডনীরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা পিজি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তখন বাংলাদেশে কিডনীরোগের কোন ভাল চিকিৎসা ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে কিডনীরোগের এ দেশে ভাল চিকিৎসা ব্যবস্থা আবিস্কার হয়েছে। তখন চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল থাকলে হয়তো আল্লাহ্ পাক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীকে আজ আমাদের মাঝে বাচিঁয়ে রাখতেন। তিনি আজ এ পৃথিবীতে অনেক ভাল কাজ করতে পারতেন বলে অনেকের মতামত।

তিনি চাঁদপুরের নাট্যাঙ্গনের পথিকৃৎ ও স্বনামধন্য নাট্যসংগঠন বর্ণচোরা নাট্যগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও চাঁদপুর বনানী খেলাঘর আসরের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। এছাড়া তিনি এলাকায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক সংগঠনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার চাঁদপুর প্রতিনিধি, ঢাকা টাইমস্২৪.কম, দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সাহিত্য প্রকাশনা ও লাইব্রেরী বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শওকত আলীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।

আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি বাদ আছর বিভিন্ন মসজিদে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত স্মরণসভা, মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী স্মৃতি সংসদের সকল সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর সকল ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্যে অনুরোধ জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টা কাজী শাহাদাত, আহ্বায়ক অ্যাডঃ দেবাশীষ কর মধু ও পরিচালক সাংবাদিক মোহাম্মদ শওকত আলী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।