বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:৩৬ এম
কচুয়ায় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর

কচুয়ার পশ্চিম সহদেবপুরে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্মলিত নির্বাচনী প্রচারণার পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুরের একাংশ।

স্টাফ রিপোর্টার, কচুয়া : পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণার পোষ্টারসহ নির্বাচনী কার্যালয় ও আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়েছে।

সোমবার মধ্যরাতে ওই ইউনিয়নের প্রসন্নকাপ গ্রামে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস সামাদ আজাদের সমর্থকরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে নৌকার প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেন দাবী করে বলেন, আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুস সামাদ আজাদ নির্বাচন বানচাল করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রাতের আঁধারে আমার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। আমি প্রশাসনের নিকট এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানাই।

ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন সুমন বলেন, আমাদের নির্বাচনী কার্যালয়ে সোমবার মধ্যরাতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভাংচুর করে দরজা ভেঙ্গে অফিসে প্রবেশ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্মলিত নির্বাচনী প্রচারণার পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং অফিসের চেয়ার টেবিল ভেঙ্গে পুকুরে ফেলে দেয়। তাছাড়া আমাদের দুটি সাউন্ড সিষ্টেম ভাংচুর করে ও নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত দুই সেট মাইক নিয়ে যায়।

এদিকে এবিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুস সামাদ আজাদ বলেন, তারা নিজেরাই তাদের কার্যালয় ভাংচুর করে আমার কর্মীদের মারধর করেছে।

Model Hospital

সংবাদ পেয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দীনের নির্দেশে এস.আই সুদিপ্ত শাহীন ও এস.আই দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং উভয় পক্ষকে সহিংসতা এড়িয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নির্দেশ দেয়। কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীন বলেন, বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি, তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী বলেন, আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুস সামাদ আজাদের সমর্থক বিএনপি জামাতের উশৃংখল কর্মীরা রাতের আঁধারে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর জনপ্রিয়তায় ঈশ্বার্নিত হয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital