বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে ব্যানার ফেস্টুনের ছড়াছড়ি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪, ১০:৩৬ পিএম
পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে ব্যানার ফেস্টুনের ছড়াছড়ি

ইউরোপের পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয় ২০২৩ সালের ২৫শে নভেম্বর । সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের স্বাক্ষরিত ওই কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি করা হয় মো. মনিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় আমিনুল ইসলাম চকদার সাকুকে।

তবে এই কমিটি গঠনের পর থেকে মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জনৈক মো. মাসুদুর রহমান তুহিন নামের একজন পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে ব্যানার ফেস্টুনে ছড়িয়ে দিয়েছে।

পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গণমাধ্যমের কাছে এক অডিও বার্তা পাঠান। অডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমি পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। কিন্তু ইদানিং কিছু কুচক্রী মহল বিভিন্ন নামে ব্যানার ছাপিয়ে পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দাবী করছেন। আসলে প্রকৃত সাধারণ সম্পাদক আমি আমিনুল ইসলাম চকদার সাকু।

Model Hospital

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে ব্যানার করা মো. মাসুদুর রহমান তুহিন দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো।

এছাড়াও ২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর মাসুদুর রহমান তুহিন নিজ ফেইসবুক আইডি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করে একটি কবিতা ও বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পোস্ট করেন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলো। সে প্রতারণার জন্য বিভিন্ন সময় শুধু দলকেই ব্যবহার করেনি বরং মতলবের প্রাক্তন এক সনামধন্য মন্ত্রীর নাম এবং ওনার সাথে তোলা ছবি ব্যবহার করে পোল্যান্ডে মানুষের সাথে বিভিন্ন অপকর্ম করার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত মাসুদুর রহমান তুহিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এই ধরনের কুচক্রী মহলের হাত থেকে পোল্যান্ড আওয়ামী লীগ কে কলুষিত মুক্ত রাখতে এবং জন নেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে হাইব্রিড মুক্ত রাখতে কঠোর বার্তা দিয়েছেন পোল্যান্ড আওয়ামী লীগের নেতারা।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’