বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

উৎসবমূখর পরিবেশে চাঁদপুর সরকারি কলেজে বর্ষবরণ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:৫১ এম
উৎসবমূখর পরিবেশে চাঁদপুর সরকারি কলেজে বর্ষবরণ উদযাপন

মেঘনা পাড়ের বাতিঘর বলে খ্যাত চাঁদপুর সরকারি কলেজে উৎসবমূখর পরিবেশে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটায় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি, রেভার স্কাউটস সদস্যরা নানা রঙে সজ্জিত হয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

চাঁদপুর শহরের সর্ববৃহৎ শোভাযাত্রাটি কলেজের প্রধান গেইট দিয়ে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব ডাকাতিয়ার পাড়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে কলেজের পক্ষ হতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ সকলকে পান্তা ভাতের সাথে কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও মাছ ভাজা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

Model Hospital

সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজু ভবনের সামনে অস্থায়ীভাবে নির্মিত প্যান্ডেলে শুরু হয় বর্ষবরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

চাঁদপুর সরকারি কলেজ নাট্যমঞ্চের শিক্ষার্থীরা নাচ এবং গানের মাধ্যমে নতুন বর্ষকে বরণ করে নেন। প্রথমে জাতীয় সংগীত এবং এরপরে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ সমবেত সংগীত দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ‘আইলো আইলো রঙ্গে ভরা বৈশাখ’, ‘ও বাবু সালাম বারে বারে’ ছাড়াও আরো অনেক নাচ ও গানে মুখরিত ছিল কলেজ ক্যাম্পাস। বেলা ১২ টা পর্যন্ত চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পরিবারের ছোটো সদস্যদের নিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন অপর্ণা দে, পূর্বা, চন্দ্রিমা দাস, ত্রিতম ভৌমিক, হৃদিকা বিশ্বাস রিয়া। নৃত্য পরিবেশন করেন পিপল দাস, সিয়াম খান, হৃদিকা বিশ্বাস রিয়া, চন্দ্রিমা দাস, আফসানা, শ্রাবন্তি। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন স্বাধীন দত্ত, পিপল দাস, প্রান্ত সাহা, রবিউল।

অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় ছিলেন সিয়াম খান ও হৃদিকা বিশ্বাস রিয়া।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ মোঃ খলিলুর রহমান বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁরা কলেজ পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ক্যাডেটবৃন্দ, রোভারের সদস্যবৃন্দসহ চাঁদপুরবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

সবার জন্য মঙ্গল বয়ে আনুক, ভাল কাটুক নতুন বছর এই প্রত্যাশা করে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।