বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী  প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী- ২০২৪ প্রদর্শিত

উন্নত জীবন ও পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণিজ আমিষের গুরুত্ব অপরিসীম : মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪, ৭:১৫ পিএম
উন্নত জীবন ও পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণিজ আমিষের গুরুত্ব অপরিসীম : মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি
সারা দেশের ন্যায় শাহরাস্তিতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী- ২০২৪ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পৌর শহরের মেহের কালিবাড়ি মাঠে শাহরাস্তি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এবং  প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প এলডিডিপি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাণিসম্পদে ভরবো দেশ” গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইয়াসির আরাফাতে সভাপ্রধানে এতে ভার্চুয়ালি টেলি কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, পরিকল্পনা ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সদস্য, মেজর অব:  রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।
তিনি বলেন, কৃষি নির্ভর বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদের এই খাতটি  ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় স্বাবলম্বী হওয়ার পথে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার জন্য সম্ভব হয়েছে। বর্তমানেউদ্যোক্তারা আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত প্রযুক্তি ও কলা কৌশল কাজে লাগিয়ে এ শিল্পে আকাশ চুম্বী সফলতা দেখিয়েছে। যার প্রমান পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এক যুগ পূর্বে গরু রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাতে জড়িতরা  নিজেই গোমাংসের যোগান দিয়ে আমিষের ঘাটতি পূরণ করছে। আজকের এ প্রদর্শনীর অভিজ্ঞতা  দর্শনার্থী উদ্যোক্তা সুবিধাভোগী সবাই কাজে লাগিয়ে এ জনপদে  শিল্পটির ব্যাপক  বিস্তৃতি ঘটাতে সহায়ক হবে। এতেউন্নত জীবন ও পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণিজ আমিষের  যোগান নিশ্চিত হবে।
খামারিরা সরকার ঘোষিত বিভিন্ন  প্রণোদনার অর্থ কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে  স্বাবলম্বী হওয়ার পথে। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সভাপ্রধানের সমাপ্ত বক্তব্য বলেন,বলিষ্ঠ জাতি ও  জীবন গঠনে  প্রাণিজ আমিষের  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, সুষম পুষ্টি, বেকার সমস্যার সমাধান ও আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, কৃষি জমির উর্বরতা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং স্মৃতিশক্তি বিকশিত মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য খাত হলো প্রাণিসম্পদ। বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। উপজেলা প্রশাসন তরফ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
উপজেলা ইউসিসি উবি’র ইংরেজি শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম খালেদের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃমোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল শামীমের স্বাগত বক্তব্যে এতে অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান চৌধুরী শেফালী, পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ, শাহরাস্তি থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত  মর্ম সিং ত্রিপুরা ,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেড এম আনোয়ার, শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডাঃ নাসির উদ্দীন,সাবেক  শাহরাস্তি উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ দুলাল চন্দ্র ঘোষ,পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মোবারক হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সবুজ, কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদ  আয়েসা আক্তার , উপজেলা মৎস্য অফিসার  তৌসিব উদ্দিন,চেয়ারম্যান  মোস্তফা কামাল মজুমদার, উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র দাস,শাহরাস্তি প্রেসক্লাব সভাপতি  হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দ , ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন , উপ-সহকারী  প্রাণী সম্পদ  কর্মকর্তা  মো: রুহুল আমিন, খামারি জাকির হোসেনসহ  অত্র অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী,উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কার্যালয় কর্মকর্তা  মাসুদ আলমসহ  বিভিন্ন ইউপির জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, ওই প্রদর্শনীতে  বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩০টি স্টল প্রদর্শিত হয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে ৪ ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে সনদ ও নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়।গবাদি পশু ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন খোরশেদ আলম খাঁন, তিনি  ৪ হাজার  , দ্বিতীয় হয়  মো: ইমান মোল্লা ৩ হাজার তৃতীয় হয় মো: রবিউল হোসেন তিনি  ২ হাজার টাকার চেকও  সনদ পায়।
পোল্ট্রি খাদ্য প্রযুক্তি  ক্যাটাগরিতে প্রথম হয় মোঃ হাসান আহমেদ তিনি ৪ হাজার, দ্বিতীয় হয় সাখাওয়াত হোসেন তিনি ৩ হাজার, তৃতীয় হয় তৈয়ব আলী তিনি ২ হাজার টাকার চেক সহ সনদ পায়। প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে প্রথম হয় কুতুবউদ্দিন তিনি ৪ হাজার দ্বিতীয় হয় মো: দেলোয়ার হোসেন ৩ হাজার, তৃতীয় হয়ে জুটুন কান্তি ২ হাজার টাকার চেক ও  সনদ পায়।
এছাড়া বিশেষ ক্যাটাগরীতে ইয়াকুব আলী ৩ হাজার টাকার চেক সনদ পেয়ে পুরস্কৃত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।