বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ার শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজে সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪, ১২:১৩ এম
কচুয়ার শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজে সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা

কচুয়ায় রহিমানগর শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজে সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন মুনতাসির ও সাখাওয়াতের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন শিক্ষার্থী। তারা কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।

সোমবার দুপুরে কলেজের ফটকের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক সৈয়দ আরাফাত ছামী চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক একাত্তর কন্ঠের কচুয়া প্রতিনিধি।

এ ঘটনায় আহত ছামী বাদী হয়ে মুনতাসির, সাখাওয়াত ও অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার একাদশ শ্রেনীর প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে সাংবাদিক ছামীর বন্ধু মেহেরাব হোসেন। মেহেরাব পরীক্ষার হলে যে আসনটিতে বসে ছিল তাকে ওই কলেজের এক ছাত্র তার আসন থেকে উঠে যেতে বললে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মেহেরাবকে মেরে তার শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলে। পরীক্ষা শেষে মেহেরাব কেন্দ্র থেকে বের হলে তার বন্ধু একাত্তর কন্ঠের কচুয়া প্রতিনিধি সৈয়দ আরাফাত ছামীকে মারামারির কথাটি জানায়।

Model Hospital

এসময় ছামী বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামানের কক্ষে প্রবেশ করে ঘটনাটি ওনাকে অবগত করেন। পরে ছামী তার বন্ধু মেহেরাবকে নিয়ে কলেজ থেকে বের হয়ে কলেজের ফটকের সামনে আশা মাত্রই উৎ পেতে থাকা একই শ্রেনীর দ্ইু ছাত্র মুনতাসির ও সাখাওয়াতের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন মিলে ছামী ও তার বন্ধুর উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এসময় তারা এসএস পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ছামীর মাথা, পিঠ ও হাত রক্তাক্ত জখম করে এবং তার ডান হাতের নখ উপড়ে ফেলে।

এসময় ছামী ও মেহেরাজ দৌঁড়িয়ে জীবন রক্ষার্থে ফটকের পাশে অবস্থিত গোহট দক্ষিন ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গিয়ে সেখানে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেন সামীকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। ছামী ও তার বন্ধু মেহেরাব বর্তমানে কচুয়া উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন- বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানের জন্য কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেনকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া ওই দুই শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মঙ্গলবার দুপুরে কলেজ অফিস কক্ষে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

এব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার বিস্তারিত জেনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।