বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় বিধবার বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৫০ পিএম
কচুয়ায় বিধবার বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ

কচুয়ায় এক বিধবা নারীর বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর এবং শ্লীলতাহানি।

কচুয়া উপজেলার সফিবাদ গ্রামে এক বিধবা নারীর বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনার মৃত ইবরাহীম ফকিরের স্ত্রী রুজিনা বেগম বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ মোহাম্মদ আলী,নুরুন্নাহার বেগম, কুহিনুর বেগম ও পারভিন বেগমকে অভিযুক্ত করে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাদীর অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,তার স্বামী ইব্রাহীম ফকির লিবিয়ায় দালালের খপ্পরে পরে দীর্ঘদিন আটকে থেকে ২০২৪ সালের ১৮ই জানুয়ারী মারা যায়। পরবর্তিতে তার স্বামীকে নিজ দেশে এনে দাফন করা হয়।

স্বামীর অবর্তমানে রুজিনা বেগম তার ৩ ছেলে-মেয়ে নিয়ে গ্রাম ও সমাজবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় বসবাস করছে। তিনি আরো জানান, আমার স্বামী প্রবাসে মারা যাওয়ার পর অবুঝ ৩ ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সফিবাদ আল ফালাহ সামাজিক সংগঠন উদ্যােগ নিয়ে প্রবাসী এবং দেশের মানুষের আর্থিক সহায়তায় একটি নতুন ঘর নির্মান করে দেন। ওই ঘরে আমি ছেলে-মেয়েদের নিয়ে খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।

Model Hospital

কিন্তু বর্তমানে আমার ভাসুর সম্পর্কে মোহাম্মদ আলী সম্প্রতি আমার পাকঘর ও টিউবওয়েল সরিয়ে নিতে বাধা দেন। এক পর্যায়ে মোহাম্মদ আলী বহিরাগত লোকজন এনে আমার পাকঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর করে এবং আমাকে মার- ধর করে আমাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি-ধামকি প্রদান করে। আমি আমার অসহায় ৩ ছেলে-মেয়ে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি প্রশাসনসহ এলাকাবাসীর সহযোগীতা চাই।

স্থানীয় অধিবাসী মুসলেম মিয়া জানান,ইব্রাহীম মারা যাওয়ার আগ থেকেই এই স্থানে ঘর নির্মান করে বসবাস করছেন। কিন্তু বর্তমানে মোহাম্মদ আলী প্রভাব খাটিয়ে বিধবার স্ত্রী-সন্তানদেরকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। গ্রামবাসী বাধা দিলে উল্টো তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। বর্তমানে ইব্রাহীমের বউয়ের করা একটি মানব প্রচার ও হত্যা মামলা চলমান রয়েছে।

সরজমিনে খবর নিয়ে জানা যায় উক্ত মামলার বিবাদীগনের সহায়তাকারী হলো মৃত ইব্রাহীমের বাবার প্রথম সংসারের বড় ভাই মাওলানা মোহাম্মদ আলী। উক্ত মামলা পিবিআই চাঁদপুর তদন্ত করছেন। রুজিনা বেগম উক্ত ঘটনায় এলাকাবাসী,বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন,কচুয়া থানা এবং পিবিআই চাঁদপুরের নিকট আইনি সহায়তা এবং সন্তানসহ নিজের স্বাভাবিক জীবন-যাপনের নিরাপওা চাচ্ছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।