বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে

নারী দিবসে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মাননা পেলেন তানিয়া ইসলাম

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৪:৩০ পিএম
নারী দিবসে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মাননা পেলেন তানিয়া ইসলাম

বেগম রোকেয়া দিবসে সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ তানিয়া ইসলামের হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” শীষর্ক কার্যক্রমের আওতায় ”সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে সফল নারী ক্যাটাগরীতে চাঁদপুর সদর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নারী উদ্যোক্তা তানিয়া ইসলাম।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এই নারী জয়িতার হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

জানা গেছে, তানিয়া ইসলাম ছোট থেকে অন্যায় ও অবিচারের সোচ্চার প্রতিবাদী একজন মানুষ। এমন কিছু কাজ করেছেন যা সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন, তার মধ্যে বাল্য বিবাহ নিরোধ, যৌতুক প্রথা নির্মূল, বিবাহ বিচ্ছেদ বন্ধের পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজের ব্যাবস্থা করা, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ,  কিশোরী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা মুলক কাজ করেন।
এছাড়াও তিনি নিজেকে উদ্যোক্তা তৈরি করা ও নারী সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছে এবং সমাজ উপকৃত হয়েছে এবং হচ্ছে।

শ্রেষ্ট জয়িতার পুরুস্কারপ্রাপ্ত তানিয়া ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, এ অর্জন আমার জন্য অনেক আনন্দের ও গৌরবের। এ পুরুস্কারটি আমার কাজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আমার ইচ্ছা, আকাঙ্খাকে আরও বেশি জাগ্রত করে তুলেছে। বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে নারীদের এগিয়ে যেতে হবে। জয়িতা পুরস্কার দেওয়ার কারনে সমাজে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করার আগ্রহ বাড়বে। পুরস্কার মানুষকে কাজের উৎসাহ যোগায়। আশা করছি আমার চলার পথ সুগম হবে এবং এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যোগাবে।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি সমাজ উন্নয়নে কাজ করতে হলে নিজের সদ্বিচ্ছা প্রয়োজন এবং পরিবার থেকে প্রত্যেকটি প্রতিবাদী নারী সাহায্যে সহযোগীতা পেলে এ সমাজের উন্নতি হবে অন্যায় ও অসঙ্গতি দূর হবে। তাহলে যে কেউ যার যার পেশাগত জায়গা থেকে সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে, এই সম্মাননা আমার কাছে নিঃসন্দেহে পরিশ্রমের স্বীকৃতি। আমি বেশ আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। কাজের প্রতি দায়িত্বটা আরো বেড়ে গেল। আমি মনে করি, ইতিবাচক ভাবনা জীবনকে অনেকটাই সহজ করে দেয়। যারা আমাকে সম্মান করেছেন তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।