বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

১শ’ বছর পর

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সনদ পেলো ছেংগারচর শ্রীশ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:০১ পিএম
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সনদ পেলো ছেংগারচর শ্রীশ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির
প্রায় ১শ’ বছর পর হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের তালিকাভুক্তির সনদ পেলো চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌরসভাস্থ ছেংগারচর বাজারে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির।
৩০ ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা যুব ঐক্য পরিষদের সদস্য ও মন্দির কমিটির সহসভাপতি বিমল দেবনাথ।
তিনি জানান, যুব ঐক্য পরিষদের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় মন্দিরটি ট্রাস্টের তালিকাভুক্তির জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ শুরু করি। প্রায় ১শ’ বছর পর নানান চড়াই উৎরায় পেরিয়ে আমার প্রচেষ্টায় মন্দিরটি অবশেষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তালিকাভুক্তির সনদ লাভ করেছে।
জেলা যুব ঐক্য পরিষদের এই নেতা আরও জানান, এই মন্দিরটির প্রায় ২শ’ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। তবে আদালতে সম্পত্তিগত মামলা চলমান রয়েছে। এটি ১৭২০ সালে প্রতিষ্ঠিত দেবোত্তর কালাচাঁদ বিগ্রহ যা শ্রীশ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির নামে পরিচিত। এখন থেকে মন্দিরটির সনদপত্র নং (১৩১৯৭/চাঁদ/মত.উ/১৩)।
জানা যায়, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ এবং হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসের যৌথ সাক্ষরে মন্দিরটির সনদপত্র দেয়া হয়। আর এই তালিকাভুক্তির সনদপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে মন্দির কমিটির সভাপতি যুধিষ্টি বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন দেবনাথের হাতে তুলে দেন মতলব হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরে জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. পবিত্র লাল সরকার, অ্যাড. নন্দিতা দেবনাথসহ অন্যান্যরা।
এ বিষয়ে ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি যুধিষ্টি বাড়ৈ বলেন, এই মন্দিরটি ব্যাপক জাগ্রত। এখানে কালাচান ছাড়াও দূর্গা ও কালী প্রতীমার বিগ্রহ রয়েছে। অবশেষে দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে প্রায় ১শ’ বছর পরে আমাদের মন্দিরটি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে তালিকাভুক্তি লাভ করায় আমরা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি মন্দিরের সার্বিক উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন দেবনাথ বলেন, আমাদের বর্তমান মন্দির কমিটির সকল সদস্যদের এবং ভক্তবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতায় মন্দিরের কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীদিনগুলোতে মন্দিরের উন্নয়ন ও ধর্মীয় কাজে যুব ঐক্য পরিষদসহ সকলের সহযোগিতা চাই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital