বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিতারা-সাজিরপাড়-সাচার সড়ক

কচুয়ায় একটি ব্রীজে বদলে দিতে পাড়ে হাজারো মানুষের দুঃখ-কষ্ট

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:১৫ পিএম
কচুয়ায় একটি ব্রীজে বদলে দিতে পাড়ে হাজারো মানুষের দুঃখ-কষ্ট

কচুয়া-১: কচুয়ার সাজিরপাড়-বিতারা নতুন রাস্তার উপর খালের উপর ব্রীজ না থাকায় জনচলাচলে ভোগান্তি।

কচুয়া উপজেলার বিতারা-সাজিরপাড় নতুন সড়কে একটি ব্রীজ ও সংযোগ সড়ক থাকলেও খালের উপর আরেকটি ব্রীজ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে হাজারো মানুষ।

বিতারা ইউনিয়নের সাজিরপাড় থেকে বিতারা স্কুল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাজিরপাড়, বাতাপুকুরিয়া, দূর্গাপুর, কলাকোপা গ্রামের জনগনের চলাচল ও বিল থেকে ফসল সংগ্রহ করার রাস্তা। ত্রান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীন সেলু-কালভার্ট নির্মান প্রকল্পের আওতায় ২০২৩ সালে বিলের মাঝে বিতারা মোল্লা বাড়ির পশ্চিম অংশের এলাকায় খালের উপর ৭৩ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩শত ২৫ টাকা ব্যায়ে একটি ব্রীজ করা হয়।

২ বছর আগে নির্মিত ব্রীজটির কাজ শেষ হলেও আরেকটি ব্রীজের অভাবে জনদুর্ভোগ কমেনি এবং সড়কটি জনচলাচলের পূর্ণতা পায়নি। ওই কাচা সড়কে সেতুটির উত্তর-পশ্চিম দিকে একটি কালভার্ট ও একটি ছোট ব্রীজ নির্মিত হলে জনগনের চলাচলের উপযোগী হবে এবং বিকল্প সড়ক হিসেবে স্থানীয় লোকজন নির্ভিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সাজিড়পার থেকে বিতারা যাওয়ার এ ব্রীজটির পশ্চিম পাশে সড়কটির কিছু অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় যান চলাচলে অনুপযোগী রয়েছে। রাস্তা থাকলে ব্রীজটিকে ঘিরে সাজিরপাড়-বিতারা এলাকার মধ্যে সংযোগ স্থাপনসহ কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর আঞ্চলিক সড়কের সাচার বাজার থেকে কচুয়াসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতে বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেত।

Model Hospital

স্থানীয়রা এলাকাবাসী জানান, ব্রীজের অসমাপ্ত সংযোগ সড়ক, নতুন ব্রীজ নির্মান করলে মানুষের যাতায়াতে অনেকটা কষ্ট লাঘব হবে। তাই দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও প্রয়োজনীয় ব্রীজ নির্মাণ করতে কতৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাষক মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, বিতারা গ্রামের পশ্চিম অংশে ও সাজিরপাড় সড়কে দুটি স্থানে আরো নতুন দুটি ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মানের জন্য ত্রান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রস্তাবনা দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’