শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো চাঁদপুর মঞ্চের সাহিত্য সম্মেলন 

শিল্পসাহিত্যের প্রসারে এরকম আয়োজন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া দরকার : জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৮ এম
শিল্পসাহিত্যের প্রসারে এরকম আয়োজন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া দরকার : জেলা প্রশাসক
‘সৃজনের সম্মিলনে করি অমৃত মন্থন’ এই শ্লোগানকে ধারণ করে কবিতা আর  কবি-লেখক-সাহিত্যিকদের মিলনমেলায় চাঁদপুরে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলন-২০২৫।
শিল্প-সাহিত্যের সংগঠন সাহিত্য মঞ্চের সপ্তম বর্ষে পর্দাপণ উপলক্ষে ২৪ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩টায় চাঁদপুর শহরের জোড় পুকুরপাড়স্থ সাহিত্য একাডেমি মিলনায়তনে বরেণ্য শব্দশিল্পীদের এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মোহসীন উদ্দিন।
এসময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুর হচ্ছে শিল্প সাহিত্যের উর্বর ভূমি। অন্যান্য জেলার তুলনায় এই জেলার সাহিত্যের কার্যক্রম অনেক বেশি হয়ে থাকে। সাহিত্য মঞ্চের এই সম্মেলনটি একটি পরিপাটি আয়োজন। শিল্পসাহিত্যের প্রসারে এরকম আয়োজন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া দরকার।
তিনি সাহিত্য মঞ্চ কর্তৃক প্রবর্তিত মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকগণকে অভিনন্দিত করেন এবং এ জেলার সাহিত্যের প্রয়াসে সবরকম সহায়তা করার আশ্বাস দেন। এবং দ্রুত সাহিত্য একাডেমির কার্যক্রম সচল করার আশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা শওকত জামিল সৈকত, শিশুসাহিত্যিক আহমেদ রিয়াজ ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কবি ও লেখক কাদের পলাশ।
সম্মেলনে স্মারক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক ড. সরকার আব্দুল মান্নান।  প্রমুখ। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও গল্পকার ইলিয়াস ফারুকী, লেখক ও গবেষক মুহাম্মদ ফরিদ হাসান প্রমুখ।
সম্মলনে দেশবরেণ্য সাতজন লেখক ও সংগঠককে ‘মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ ও ২০২৪ প্রদান করা হয়। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদানেরর জন্য ২০২৩ সালে পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য চারজন গুণি লেখক হলেন প্রবন্ধ ও গবেষণায় সুমনকুমার দাশ, কথাসাহিত্যে রুমা মোদক, কবিতায় মাহমুদ কামাল ও জুনান নাশিত। ২০২৪ সালে পুরস্কারপ্রাপ্ত তিন লেখক হলেন কবিতায় শাহ বুলবুল, কথাসাহিত্যে নাহিদা নাহিদ, প্রবন্ধ ও গবেষণায় শামস আলদীন।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও সাহিত্য একাডেমি প্রাঙ্গনে বকুল গাছ রোপনের  মধ্যদিয়ে সাহিত্য সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু করা হয়।
আয়োজনটি বৈচিত্র্য আনতে গতবারের মত এবারও অনুষ্ঠানটি কয়েকটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে।
আলাদা আলাদা পর্বে স্থানীয় এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বরেণ্য শব্দশিল্পীরা কবিতা, গল্প, শিল্পআড্ডাসহ শিল্প-সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা ও কথা বলেন।
সাহিত্য মঞ্চের সভাপতি কবি ও অনুবাদক মাইনুল ইসলাম মানিকের সভাপতিত্বে ও  সাধারণ সম্পাদক কবি ও গল্পকার আশিক বিন রহিমের সঞ্চালনায় এসময় ঢাকা ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা এবং স্থানীয় শতাধিক লেখক উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital