কাল রোজা শুরু চাঁদপুরের ৫০ গ্রামে
ফাইল ছবি
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে এবারেও চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে পবিত্র রোজা পালন করবেন মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ। জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা প্রতিবছরই আগাম রোজা এবং দুই ঈদ উদযাপন করেন।

এরই মধ্যে রোজা পালনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই মতবাদের অনুসারীরা।

জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বলাখালের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান বলেন, এশার নামাজের পর রাত সাড়ে ৮টায় তারাবির নামাজ আদায় করা হবে।

তারপর ভোররাতে সাহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে রোজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হবে।

একই কথা জানান টোরা মুন্সিরহাট বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাহবুবুর রহমান।
এদিকে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ছাড়াও হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি ও মতলব উত্তরের বেশ কয়েকটি গ্রামে একই সময় পবিত্র রোজা পালনের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) ১৯২৮ সাল থেকে এই অঞ্চলে পবিত্র রোজা এবং দুটি ঈদ উদযাপন প্রচলন করেন।
তার পর থেকে তার অনুসারীরা এমন নিয়ম চালু রাখেন।
এই মতবাদের বর্তমানে সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা মাওলানা আরিফ চৌধুরী জানান, সৌদি আরব এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশে যেভাবে রমজান, পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়। আমরাও চন্দ্রমাস হিসাব করে ঠিক একই নিয়মে ধর্মীয় বিধানগুলো পালন করছি।








