বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া বর‌ইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ 

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৩৪ পিএম
কচুয়া বর‌ইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ 

কচুয়ায় বর‌ইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে অতিথিবৃন্দ।

কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নে দুই’শত  পরিবারের মাঝে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সেহরি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে বর‌ইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠন।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বর‌ইগাঁও গ্রামে  দুই’শত দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার সেহরি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল কাহ্হার মজুমদারের সভাপতিত্বে ও  সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রবিউল আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ নাহিদ ইসলাম।
বিশেষ অতিথির  বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হাবিবুল বাশার, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, সংগঠনের সাবেক সভাপতি মোঃ মাসুদ আলম, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসাইন, কাদলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোশারফ হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, বর‌ইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠন ২০০৯ সাল থেকে  সামাজিক উন্নয়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহ অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মাঝে নানাবিধ মানবিক ও সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে।
এ সংগঠন প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকে  প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও  এলাকার সার্বিক সহযোগিতা সামাজিক,মানবিক, দুর্যোগ, ধর্মীয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় কোটি টাকা দান অনুদান দিয়েছেন।
বিশেষ করে, বর‌ইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠন মানবিক ও সামাজিক দুস্থ ও প্রতিবন্ধী জীবিকা নির্বাহ করার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করছেন। ধর্মীয় কার্যক্রমে ওয়াজ মাহফিল ও ধর্মীয় সেমিনার প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন এতিমখানা মাদ্রাসায় সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুদান দিয়ে আসছেন।
শিক্ষা কার্যক্রমে অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা ভাতা, মেধাবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও শতভাগ শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা,বেকারত্ব দূর করা ও কৃষকদের মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে সুদমুক্ত ২০ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছেন।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে  মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্য চিকিৎসা প্রদান কার্যক্রম  পরিচালনা করে আসছেন।
এছাড়াও সংগঠনটি মহামারী করোনার সময় অসহায় গরীব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সাম্প্রতিক সময় ২০২৪ সালে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ ১০ লক্ষ টাকা, চিকিৎসা প্রদান, খাবার বিতরণ ও বস্ত্র বিতরণ করছেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।